পাখির চোখ নন্দীগ্রাম: দু’দিনের সফরে আবারও নন্দীগ্রাম যাচ্ছেন মমতা

0

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিয়েই এখন রাজ্যে পারদ চড়ছে। তবে এখন যতটা না তৃণমূল-বিজেপির লড়াই দেখার জন্য মানুষ উৎসুক তার থেকেও বেশি আগ্রহী মমতা বনাম শুভেন্দুর লড়াই দেখতে। এটা কারও অজানা নয় যে ২০১১ সালে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসানোর পিছনে ছিল নন্দীগ্রাম। এই নন্দীগ্রাম এতদিন ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়া পরেই নন্দীগ্রামে নিজেদের আরও একবার প্রমাণ করার লড়াই তৃণমূলের কাছে জোরদার হয়েছে। নন্দিগ্রাম থেকে তিনিই প্রার্থী হবেন এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জায়গাকে হাতে রাখতে আবারও ফেব্রুয়ারিতে নন্দীগ্রাম সফরে যাচ্ছেন মমতা।

আগামী মাসে জনসংযোগ কর্মসূচীতে অংশ নিতে দু’দিনের সফরে নন্দীগ্রামে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলা বাহুল্য যে নন্দীগ্রামে জেতা নিয়ে এখন টক্কর চলছে মমতা ও শুভেন্দুর মধ্যে। কয়েকদিন আগেই নন্দীগ্রাম সফরে সভা মঞ্চ থেকে হঠাৎ বলেছিলেন, ‘‌আমিই যদি নন্দীগ্রামে দাঁড়াই কেমন হয়?‌ ভাবছিলাম। কথার কথা। একটু বললাম, একটু ইচ্ছে হল।’ তারপরই সুব্রত বক্সিকে নিজের মনোবসনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘‌আমি সুব্রত বক্সিকে অনুরোধ করব, এটা আমার ইচ্ছে হয়েছে।’ সঙ্গে যোগ করেন, বক্সিকে বলব, নন্দীগ্রামেও যেন আমার নামটা থাকে।’‌ তবে এর পাল্টা জবাবও দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

উত্তর কলকাতার সভা থেকে শুভেন্দু মমতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বলেছিলেন, “মাননীয়াকে নন্দীগ্রামে কম করে হাফ লাখ ভোটে হারাব। নাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়েই এখন উত্তাল রাজনীতি। তৃণমূল যেমন এক ইঞ্চি জমি বিরোধীদের ছাড়াতে রাজি নয় তেমননি বাংলা দখল করতে মরিয়া বিজেপি। গত বুধবার বাংলায় জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, এ ডি জি ও জেলা প্রশাসনের অধিকারিকদের সাথে বৈঠকে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের ৭ সদস্যের ফুলবেঞ্চ। সব মিলিয়ে বাংলার পরিস্থিতি এখন টানটান।