বন্ধুত্বের উপহার! ১২ লাখ ভ্যাকসিন ডোজ বাংলাদেশকে দিলেন নরেন্দ্র মোদী

0

বাংলার ভোটের মরশুমে পার্শ্ববর্তী বন্ধুদেশ বাংলাদেশে করোনা পরবর্তী সময়ে প্রথম বিদেশ যাত্রা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চ দুদিনের বাংলাদে‌শ সফর। সফরের প্রথম দিনই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তিনি। এরপরই ১২ লাখ ভ্যাকসিন ডোজ বাংলাদেশকে উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি এই সফরের সময় নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি এএমইউ স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ শুক্রবার সকালে দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছান। মূলত, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণেই তিনি বাংলাদেশে সফর করছেন।

গতবছরের নভেম্বরে ভারতের কাছ থেকে ৩ কোটি কোভিড টিকা কেনার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর, ভারতে গণটিকাকরণ শুরু হলে পড়শি বন্ধুরাষ্ট্র বাংলাদেশের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ভারত সরকার। সেবার সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের (Covidshield) ২০ লক্ষ ডোজ উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশ সরকারের হাতে। গত ২০ জানুয়ারি একটি বিশেষ বিমানে তা পৌঁছয় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। ভারত-বাংলাদেশ পারস্পরিক বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করতেই ভ্যাকসিন উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত বলে খবর নয়াদিল্লি সূত্রে।

মোদির এ সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে অনেকগুলো চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতা অন্যতম। এছাড়া তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারত দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে আসবে বলেও জানা গিয়েছে। ভারত সরকারের তরফে এক সফরকে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের নাগরিকদের যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যখ্যা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই টুইট করছ জানিয়েছেন, “আমি অত্যন্ত খুশি যে করোনা পরবর্তীকালে আমার প্রথম বিদেশ সফর সেই প্রতিবেশী দেশে যাঁদের সঙ্গে আমাদের গভীর সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত সম্পর্ক রয়েছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here