বিস্তারিত তদন্তের জন্য রানা কাপুরের আবারও হেফাজত চায় সিবিআই

0

মুম্বই: শুক্রবার কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই) এজেন্সিতে নিবন্ধিত মামলায় ইয়েস ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুরের হেফাজত চেয়ে বিশেষ সিবিআই আদালত তার বিরুদ্ধে প্রযোজনা পরোয়ানা সংগ্রহ করেছে। গত ৭ মার্চ, সিবিআই রানা কাপুর, ধীরজ এবং ডিএইচএফএল-এর কপিল ওয়াধওয়ান, ডু ইট আরবান ভেঞ্চার্স প্রাইভেট লিমিটেড, রানার মেয়ে রাধা, রাখি, রশ্মি এবং তার স্ত্রী বিন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

৮ মার্চ গ্রেফতার হওয়ার পরে এই শুক্রবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছে তার হেফাজত শেষ হওয়ার কারণে রানাকে পিএমএলএ আদালতে হাজির করার ঠিক পরে আবার প্রযোজনা পরোয়ানা চাওয়া হয়। দুর্নীতি বিরোধী দফতর দিল্লি শাখার সিবিআই কর্মকর্তারা দুপুর বারোটার দিকে রানাকে আরও তদন্তের জন্য সিবিআই আদালতে হাজির করবেন। এজেন্সি কর্তৃক নিবন্ধিত মামলাটি তাঁর সন্দেহজনক লেনদেনের সাথে সম্পর্কিত যেখানে ২০১৮ সালে ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তৃক ৩,৭০০ কোটি টাকার ঋণপত্র কিনে ডিএইচএফএল-কে প্রদান করা হয়েছিল এবং ডিএইচএফএল আরও ডু ইট আরবান ভেঞ্চার্স প্রাইভেট লিমিটেডকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

এই ডু ইট আরবার ভেঞ্চার্স রানার মেয়েদের মালিকানাধীন সংস্থা। রানা কাপুরের ব্যক্তিগত অযাচিত সুবিধার জন্য ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলে সিবিআই কর্মকর্তারা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৮৮-এর অধীনে মামলা দায়ের করেন এবং ইয়েস ব্যাঙ্কের আমানতকারীদের প্রতারণা করা হয়। ডিএইচএফএল ডু ইট আরবান ভেঞ্চার্স প্রাইভেট লিমিটেডকে যে ঋণ দিয়েছে তা ইয়েস ব্যাঙ্ক কর্তৃক ডিএইচএফএল-কে দেওয়া ঋণের এক প্রকার সমর্থন ছিল। এমন সন্দেহের বিষয়ে রানা কাপুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

এছাড়াও ইয়েস ব্যাঙ্কের দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল অম্বানির। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি)। তলব অনুসারে ইডির অফিসে যান অনিল অম্বানি এবং সেই সঙ্গে মুখোমুখি হন ইডির প্রশ্নের। ইয়েস ব্যাঙ্কের থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়েছিলেন অনিল অম্বানি। সেই বিষয়ে ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here