নয়া চাল রাজীবের, পালটা গুটি সাজাচ্ছে সিবিআই

0

কলকাতা: গ্রেফতার এড়াতে নয়া কৌশল নিয়েছেন মহানগরের প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমার। যদিও সহজে ছাড়তে নারাজ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

বিবাদ শুরু হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারি মাসের তিন তারিখ থেকে। ওই দিন জেরার জন্য বাড়িতে গিয়েও তাশ হতে হয় সিবিআই আধিকারিকদের। পালটা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ধরণায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। সেখান থেকে ফের তা ফিরে আসে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই হাইকোর্টের রক্ষাকবচের সৌজন্যে গ্রেফতার করা যায়নি দুদে আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারকে। যদিও গত শুক্রবারে সেই রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিয়েছে হাইকোর্ট।

রক্ষাকবচ উঠতেই দেরি না করে তড়িঘড়ি শুক্রবার প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারের বাড়িতে গিয়ে হাজিরা নোটিশ দিয়ে আসেন সিবিআই অফিসাররা৷ জানিয়ে দেওয়া হয়, শনিবার সিজিও কমপ্লেক্সে সকাল দশটার মধ্যে এসে তাঁকে হাজিরা দিতে হবে৷

শনিবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে যাননি কলকাতা তথা বিধাননগর পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার। সূত্রের খবর, দুপুরের দিকে সিবিআই দফতরে ইমেল করেছেন প্রাক্তন নগরপাল। তিনি জানিয়েছেন যে এই মুহূর্তে তিনি ছুটিতে রয়েছে। সেই কারণে তাঁকে আরও একমাস সময় দেওয়া হোক। তারপরে তিনি সিবিআই কর্তাদের মুখোমুখি হবেন জেরার জন্য।

এরপরে এদিনই দুপুরের দিকে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে আচমকা রওনা দিয়েছেন সিবিআইয়ের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল। যা ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। যদিও সিবিআই কর্তাদের গন্তব্যস্থল সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। মনে করা হচ্ছিল যে রাআজীব কুমারকে গ্রেফতার করতেই রওনা হয়েছেন তাঁরা।

তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিবিআই আধিকারিকদের পাঁচ প্রতিনিধির একটি দল বালিগঞ্জে গিয়েছেন আইনজীবীর পরামর্শ নিতে। কোনো উপায়েই আর ছাড় দেওয়া হবে না রাজীব কুমারকে। অবিলম্বে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চাইছে সিবিআই। সেই বিষয়েই আইনি পরামর্শ নেওয়ার কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শিলঙে সিবিআই দফতরে জেরা করা হয়েছে আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারকে। ডাকা হয়েছিল ওই একই মামলায় আরেক অভিযুক্ত কুণাল ঘোষকেও। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছিল।