নারদ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নারদকাণ্ডে জোর কদমে তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। বৃহস্পতিবার নারদকাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার হন আইপিএস এসএমএইচ মির্জা। শনিবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সূত্রের খবর, এদিন তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারে সিবিআই। এমনকি শুক্রবার রাতে ফোন করে তলব করা হয়েছে ম্যাথু স্যামুয়েলকেও।

এদিন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারকে নারদকাণ্ডে টাকা নেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “একটা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন লড়তে সব পার্টি চাঁদা নেয় আমিও চাঁদা নিয়েছি এবং নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে জানিয়েছি।”

ম্যাথু স্যামুয়েলের থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা স্বীকার করে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরো জানান, টাকা নেওয়ার পর প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়েছে। যেহেতু কোর্টের নির্দেশে অনুসন্ধান চলছে তাই সে বিষয়ে যথাস্থানে বক্তব্য পেশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সিবিআই-এর তলব মত সকালেই নিজাম প্যালেসে হাজির হন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার।


নারদকাণ্ডে ১৩ জন অভিযুক্তের মধ্যে তৃণমূলের সুলতান আহমেদের মৃত্যুর পর বাকি ১২ জন অভিযুক্তের মধ্যে ৫ জনের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে বলে জানায় সিবিআই। ইতিমধ্যেই এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র, বর্ধমানের প্রাক্তন পুলিশ সুপার এসএমএইচ মির্জা, আরামবাগের পূর্ব সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে সিবিআই। সেই কণ্ঠস্বরের নমুনা ধরেই ধীরে ধীরে এগোচ্ছে তদন্ত প্রক্রিয়া।