ইস্যু ভিত্তিক রাজনীতি নয়, দেশের শ্রমিক-কৃষকদের জন্য বারংবার গর্জে উঠেছে তাঁর কলম

0

শুভজিৎ মিত্র, কলকাতা: আহত, ভূপাতিত, নির্যাতিত, কিন্তু পরাজিত নন……” তারুণ্যের মূর্ত প্রতীক। ঘড়ির কাঁটার সাথে তাল মিলিয়ে চলতো তার প্রতিবাদী কলম। কালির আঁচড়ে বুঝিয়ে দিতেন, প্রখর রাজনৈতিক বুদ্ধি। বলিষ্ঠ মানসিকতা তাকে করে তুলেছিল সাধারণের মধ্যেও অসাধারণ। প্রয়াত সাহিত্যিক দেবেশ রায়। মঙ্গলবার তেঘরিয়ার এক নার্সিংহোমে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

বরাবরই সাম্যবাদে বিশ্বাসী ছিলেন দেবেশ রায়। ইস্যু ভিত্তিক রাজনীতিই শুধু নয়। দেশের খেটে খাওয়া শ্রমিক, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় বারংবার গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। কালির আঁচড়ে দৃঢ়তার সঙ্গেই সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। কখনও কারো কাছেই মাথা নত করেননি।  চলে আসা ধারাকে এক লহমায় ভেঙে ফেলে সাহিত্যের নতুন ধারা তৈরি করেন দেবেশ রায়। ১৯৭৯ সাল থেকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাফল্যের সঙ্গেই সামলে গিয়েছেন ‘পরিচয়’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব। তাঁর হাত ধরে উঠে আসেন নব ধারার বাংলা সাহিত্যের একাধিক নামজাদা লেখক, লেখিকা।

১৯৯০ সালে, ‘তিস্তাপারের বৃত্তান্ত-এর জন্য পান সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার। যুব সম্প্রদায়ের প্রতি বরাবরই অগাধ ভরসা রাখতেন দেবেশ রায়। টেকনোলজির জমানা, বই বনাম ই-বুকের যুগে আত্মপ্রকাশ করা, ‘আপন পাঠ’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা অভিভাবকও ছিলেন তিনি। সেই পত্রিকার দায়িত্বে রয়েছেন তারই স্নেহধন্য, সম্পাদক সন্দীপ নট্ট। কান পাতলে শোনা যায়, ঘনিষ্ঠ মহলে মজা করে সন্দীপ বাবুকে নিজের ছোট ছেলে বলে পরিচয় দিতেন দেবেশ বাবু।

সন্দীপ নট্ট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here