সুপার সাইক্লোন আমফানের মোকাবিলায় রাজ্যের পাশে আছে কেন্দ্র, মমতাকে আশ্বাস শাহের

0

নয়াদিল্লি: সুপার সাইক্লোন আমফান শক্তি বৃদ্ধি করে ক্রমশ পশ্চিমবঙ্গের দিকে এগিয়ে আসছে। পশ্চিমবঙ্গের দিঘা এবং বাংলাদেশের হাতিয়া উপকুলে আছড়ে পড়ার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে রাজ্যকেকে না জানিয়ে রাজ্যের বিষয়ে আলোচনা করা নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

তবে যায় হোক সুপার সাইক্লোন আমফান মোকাবিলার জন্য সর্বদা রাজ্যের পাশে রয়েছে কেন্দ্র ঠিক এমনটাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন দুর্যোগ মোকাবিলায় সমস্ত রকমভাবে পশ্চিমবঙ্গকে সাহায্য করবে কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্য যে কোনও সহায়তা দিতে প্রস্তুত কেন্দ্র। ২০ মে বুধবার দুপুর নাগাদ দিঘা (পশ্চিমবঙ্গ) এবং হাতিয়া দ্বীপপুঞ্জে (বাংলাদেশ) আমফান শক্তি সঞ্চয় করে আছড়ে পড়ার কথা।

মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান মেটেরোলজিকাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের কেন্দ্রীয় অংশে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ঝড় ‘আমফান’ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। সেই সঙ্গে আইএমডি সূত্রে জানানো হয়ে ‘আমফান’ শক্তি সঞ্চয় করার পর পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা বেশী রয়েছে। আইএমডির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “পশ্চিম-বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে উত্তর-উত্তর দিকে অগ্রসরর হবে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দীপপুঞ্জের পাস দিয়ে। ২০ মে বিকেলে বা সন্ধ্যায় দিঘা (পশ্চিমবঙ্গ) এবং হাতিয়া দ্বীপপুঞ্জের (বাংলাদেশ) যা সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থিত সেখানে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশী। সর্বাধিক বাতাসের গতি থাকবে ১৬৫-১৭৫ কিলোমিটার যা বেড়ে ১৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে পারে।”

আইএমডি অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে সেই সঙ্গে দুটি-একটি স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছে। ২০ মে গাঙ্গেও পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায় অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে গাঙ্গেও পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলা জুড়ে কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ দিয়েছে। জেলেদের ২১ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমবঙ্গ বরাবর উত্তর ওড়িশা উপকূলের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here