রাজ্যে করোনা ভ্যাকসিনেশান নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে, প্রথম দিন মুখ্যমন্ত্রীর নজরদারিতে টিকাকরণ

0

কলকাতা: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রের অনুমোদন প্রাপ্ত দুটি করোনা প্রতিষেধকের গণটিকাকরণের মহাযজ্ঞ শুরু হতে চলেছে। একটি ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআরে’র যৌথ উদ্যোগে তৈরি কোভ্যাক্সিন। অপরটি অক্সফোর্ড আস্ট্রেজেনেকার সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিডশিল্ড। ইতিমধ্যেই সেই টিকা কলকাতা সহ ১৫ টি শহরে পৌঁছে গিয়েছে।

গতকাল বিমানবন্দর থেকে বাগবাজারে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোরের নিয়ে যাওয়া হয় কোভিশিল্ড। সেখান থেকে রাতেই ট্রাকে চাপিয়ে হাওড়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনায় ভ্যাকিসন পাঠিয়ে দিয়েছে রাজ্যে সরকার। হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪ হাজার ভ্যাকসিনের ডোজ এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল থেকে বিশেষ ভ্যানে চাপিয়ে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। প্রস্তুত হুগলি জেলা প্রশাসনও। কোভিশিল্ড পৌঁছে গিয়েছে চুঁচুড়ায়, জেলা ভ্যাকসিন সেন্টারে।

সার্বিক টিকাকরণে দেশের মধ্যে এমনিতেই শীর্ষে রয়েছে বাংলাই। খোদ মোদী সরকারের রিপোর্টে এমনটাই বালা হয়েছে। তবু কোনোরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। নির্ধারিত দিনে যাতে নির্বিঘ্নেই টকাকরণ শুরু করা যায় তাই নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে। সেইমতো জেলাগুলিতে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। প্রতি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে চিঠি লিখে, ভ্যাকসিন গ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে আপতকালীন অ্যাড্রেনালিন ইঞ্জেকশন রাখতে বলা হয়েছে। যাতে ভ্যাকসিনেশানের পর হঠাৎ কাঁপুনি, খিঁচুনি, প্রেশার কমে বা বেড়ে যাওয়া, শক ইত্যাদি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে জরুরী ভিত্তিতে অ্যাড্রেনালিন ইঞ্জেকশন দেওয়া যায়।

প্রথম দিন ব্লক স্তরে টিকাকরণে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবেন। কড়া নজরদারি রাখবেন তিনি। সেদিন যাঁরা ভ্যাকসিন নেবেন, কথা বলবেন তাঁদের সঙ্গেও। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আগামীকাল জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে। বৈঠকে ২৪টি বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধিদের হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here