২৪ ঘণ্টার মধ্যে কালীঘাটের পোড়া নোটের রহস্যের সন্ধান মিলল

0

কলকাতা: রবিবার বিকেলে কালীঘাটের মুখার্জি ঘাটে পোড়া ১০ থেকে শুরু করে ৫০, ১০০ এমনকি ৫০০ টাকার নোটের সন্ধান মেলে। এবার সেই নোটের রহস্যের অবসান ঘটে। করোনা পরিস্থিতিতে সব কিছুই বন্ধ ছিল। মন্দির- মসজিদ, গির্জা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ সব কিছুই বন্ধ ছিল। ঠিক তাররেই ঘটে যায় পশ্চিমবঙ্গে আমফান ঝড়। সেই সময় থেকেই জৈন মন্দিরে জমতে থাকে টাকা গুলি। পরে মন্দিরের কর্মীরা যখন মন্দিরে ফিরে আসেন তখন প্রণামী বাক্স খুলতেই দেখা যায় ভিতরের টাকাগুলি প্রায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে, উপরের গুলোই ভাল ছিল।

সেই নষ্ট টাকাগুলি বদলানোর জন্য একটি বস্তায় করে রেখেছিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তারা ঠিক করেছিলেন পরে ওই টাকা রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বদল করে নিয়ে আসা হবে। কিন্তু কর্মীরা কেউ সময় পাচ্ছিলেন না টাকা বদলানোর। একদিন ওই মন্দিরের এক কর্মী বাধাধরা একজন রিকশাচালক, যার নাম রাজেন্দ্র সাউ তাকে মন্দিরের পুরনো পচা ফুল দেওয়ার সাথে সাথে ভুল করে ঐ বস্তাভর্তি টাকা দিয়ে দেন। সূত্রের খবর থেকে জানা যায়, সিসিটিভি ফুটেজে রিকশা চালককে প্রতিদিনই এসে আদিগঙ্গায় ঠাকুরের ফুল ফেলতে দেখা যায়।

জৈন মন্দির এর পূজারী গোপাল মিশ্র জানান, ভবানীপুরের হেশ্যাম রোডের জৈন মন্দিরের রিকশাচালক গত ২০ বছরে এই ঘাটে বাশি ফুল ও স্নানের জল বিসর্জন দেয়। রবিবার বিকেলে ইসলামের ডিসি ভবানীপুর অফিসে আধিকারিকদের কাছে কালিগঞ্জ থানা থেকে ফোন যায়। তার কাছে টাকা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, পুজোর পর এই মন্দিরের ফুল এবং স্নানের জল আদিগঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়ে আসা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বস্তাভর্তি টাকাকে ফুল বোঝাই বস্তা ভেবেই রাজেন্দ্র সাউ তা গঙ্গায় ভাসিয়ে দেয়। পরে সেই টাকায় কেউ জ্বলন্ত কিছু ফেলতেই টাকাগুলো জ্বলে যায়।