ভিলেন ইভিএম: তৃণমূলের ভোট সংখ্যা কমে গেলেই নাকি ইভিএম দায়ী

0

কলকাতা: দলের পক্ষে গেলেই নাকি স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণতান্ত্রিক মত প্রকাশ করছে জনতা, আর বিপক্ষে গেলেই ইভিএম দায়ী। অর্থাৎ হার মানতে নারাজ তৃণমূল, তাই পরাজয়ের পর হার স্বীকার না করে ইভিএম কে ভিলেন বানানোর প্রচেষ্টা বারংবার চলেছে। ইভিএম জল্পনাকে ঘিরেই বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, তৃণমূল হারতে চলেছে ,তাই ইভিএমকে ভিলেন বানানোর জোর প্রচেষ্টা চলছে।

বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যে এটা স্পষ্ট যে, তৃণমূল ২০১৬ সালে ক্ষমতায় এসেই নতুন তত্ত্ব দাঁড় করিয়েছে , সেটা হল ইভিএম কারচুপি। তৃণমূল সরকার এই ইভিএম কে দায়ী করেছে বারংবার। এমনকি নির্বাচন কমিশনের দিকেও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার, অবশ্য তাতে কোন লাভ হয়নি। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন সরকারের এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেননি। রাজ্য পুলিশের ওপর কোন ভরসা নেই, পুলিশের রাজনীতির মেরুকরণ সমাপ্ত হোক অর্থাৎ রাজ্যের পুলিশ নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করবেনা, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এটাই সাদরে গ্রহণ করেছিলেন- এমনটাই দাবী করেছেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।

সামনেই একুশের বিধানসভা ভোট, আর এই ভোটের মুখে তৃণমূল সরকার শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের দাবীতে কমিশনের দ্বারস্ত হয়েছেন। ইভিএমের পাশাপাশি ভিভিপ্যাট পরীক্ষার দাবীও জানিয়েছেন, যদিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরীক্ষা করা হবে নয়তো গণনার সময় বাড়িয়ে দিয়ে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা করা হবে। প্রশ্ন এখন একটাই, তৃণমূলের পক্ষে যাবে ইভিএম অর্থাৎ জয়ের মুখ কি দেখবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নাকি আবারও ইভিএমকে দায়ী করে পরাজয় এড়িয়ে যাবে শাসক দল?