বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, মেডিকা ২০০ বেডের করোনা হাসপাতাল করল কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে

0

কলকাতাঃ দেশ জুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। লাগামছাড়া সংক্রমণ। প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। রাজ্যে এই মুহূর্তে করোনা সংক্রমণ ভয়াভহ আকার ধারণ করেছে। নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে বেড। অক্সিজেনের হাহাকার। এই পরিস্তিতিতে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে যাদবপুরের কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে করা হলো কোভিড হাসপাতাল। করোনা মোকাবিলায় এতদিন কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে সেফ হোম হিসাবে ব্যবহার করছিল কলকাতা পুরসভা। সেফ হোম থেকে এই স্টেডিয়ামকে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো সহ হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য মেডিকো হাসপাতালকে আগেই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল।

সেই মতো পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেন “মেডিকা” যাদবপুরের কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ২০০ বেডের করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করল। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে “মেডিকা”- এই ব্যবস্থা করে ফেলেছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে গিয়ে করোনা চিকিৎসার জন্য “মেডিকা” হাসপাতালের এই নতুন উদ্যোগ ঘুরে দেখেন। তিনি বলেন, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সঠিক মূল্যে মেডিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা করেছে। আমরা চি এই ধরণের পরিষেবা যতটা সম্ভব বাড়িয়ে নিতে। এই ধরণের পরিষেবা হজ হাউস, সল্টলেক এএমআরআই করতে চলেছে।”

“মেডিকা” সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের চেয়ারম্যান অলক রায় বলেন, “এই মুহূর্তের করোনা চিকিৎসা পরিষেবার গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে আমরা ৭২ ঘন্টার মধ্যে এই করোনা হাসপাতালের ব্যবস্থা করেছি। আমরা এই কাজে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও আইটিসি সংস্থাকে আমাদের দক্ষতার কথা মাথায় রেখে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা এই নতুন ব্যবস্থায় ২০০ বেডের হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার সব রকমের ব্যবস্থা করেছি। এখানে এইচ ডি ইউ / আই সি ইউ এবং অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

বর্তমানে মুকুন্দপুরে “মেডিকা” সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ২৬৭টি বেডের করোনা চিকিৎসার পরিকাঠামো রয়েছে। এখানে ১৩২টি আইসিইউ/এইচডিইউ বেড, ১২২টি জেনারেল বেড ১২টি বেড একই চিকিৎসার জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। স্টেডিয়ামের বাইরে করা হয়েছে অক্সিজেন প্ল্যান্টের ব্যবস্থা। আগেও এই স্টেডিয়ামে সেফ হোমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ২০০ বেডের এই নতুন করোনা চিকিৎসা পরিষেবায় তারাই উপকৃত হবেন যারা এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসার জন্য এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটছেন ,কিন্তু বেড পাচ্ছেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here