দেশে এসেছে ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ, কিনতে অনীহা রাজ্যগুলির

0

নয়াদিল্লি: আমদানি বাড়ছে৷ তাই আগের তুলনায় পেঁয়াজের দাম অনেকটাই কমেছে৷ পেঁয়াজের জোগান আরও বাড়তে চলেছে দেশের বাজারে৷ কেননা বাইরে থেকে আরও ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছেছে ভারতে৷ এবার রাজ্যগুলি চাইলে এই পেঁয়াজ কেন্দ্রের থেকে কিনে নিতে পারবে৷ কত দামে পেঁয়াজ রাজ্যগুলিকে দেওয়া হবে সেই দামও ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷

মঙ্গলবার ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান জানান, বাইরে থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে৷ ইতিমধ্যে ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছে৷ তবে মাত্র ২ হাজার টন পেঁয়াজ রাজ্যগুলিকে বিক্রি করা হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে ২২ টাকা কিলো দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে৷

এদিকে বাজারে পেঁয়াজের জোগান বাড়লেও দাম সেই তুলনায় কমছে না৷ আবার ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছে৷ ফলে পেঁয়াজের দাম অনেক কম হওয়ার কথা৷ কিন্তু সেই তুলনায় দাম এখনও বেশিই আছে৷ পেঁয়াজের দাম না কমা নিয়ে রামবিলাস পাসোয়ান রাজ্যগুলিকেই দুষেছেন৷ জানান, রাজ্যগুলি পেঁয়াজ কিনতে আগ্রহী নয়৷ এখানে কেন্দ্রীয় সরকার কী করবে?

এখনও অবধি অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, তেলেঙ্গনা, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ আমদানি করা পেঁয়াজ কিনেছে৷ বাকি রাজ্যগুলি কেনেনি৷ সংশ্লিষ্ট দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের কথায়, আমদানি করা পেঁয়াজের স্বাদ আর দেশে উৎপন্ন পেঁয়াজের স্বাদে অনেক ফারাক৷ আর দেশে যে পেঁয়াজ উৎপন্ন হচ্ছে তার দাম এবং আমদানি করা পেঁয়াজের দামে উনিশ-কুড়ি তফাত৷ ক্রেতারা তাই আমদানি করা পেঁয়াজ কিনছে না৷

গত বছর শেষের দিকে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়৷ পেঁয়াজের লাগামছাড়া দামবৃদ্ধিতে নাজেহাল অবস্থা হয় সাধারণ মানুষের৷ এই নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চেপে ধরেন বিরোধীরা৷ কেন্দ্র তখন জানায়, মহারাষ্ট্রে অকাল বর্ষণের জন্য পেঁয়াজের ফলন কমে যায়৷ চাহিদা মতো বাজারে জোগান না বাড়াতেই সমস্যা তৈরি হয়৷ তবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাইরের দেশগুলি থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হয়৷ সেই সময় খাদ্যমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, ১১৬০ টন পেঁয়াজ ভারতে এসে পৌঁছেছে৷ আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ১০ হাজার ৫৬০ টন পেঁয়াজ চলে আসবে৷ ভারত পেঁয়াজ আমদানি করে তুরস্ক, ইজিপ্ট ও আফগানিস্তান থেকে৷