করোনা ভাইরাসের একটা মূর্তি গড়ে তার সামনে ক্ষমাপ্রার্থনা করার পরামর্শ হিন্দু মহাসভার জাতীয় সভাপতির

0

নয়াদিল্লি: বিশ্বজুড়ে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে নভেল করোনা ভাইরাস। বিশ্বের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এবং মেডিক্যাল আধিকারিকরা এই রোগের নিরাময়ক এবং টিকা আবিস্কার করে রোগটি নির্মূল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। রোগটির ছড়িয়ে পড়া আটকানোর জন্য তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে চলেছেন। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া বিশ্বে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তবে এই বিষয়টিকে এক অন্য চোখে দেখছে হিন্দু মহাসভা। তাদের মতে, নভেল করোনা ভাইরাস আমিষভোজীদের শাস্তি দেওয়ার একটি ‘অবতার’।

অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার জাতীয় সভাপতি স্বামী চক্রপাণি জানান, “করোনা ভাইরাস কেবল একটা ভাইরাসই নয়, বরং দুঃখী প্রাণীদের একটি রক্ষাকবচস্বরূপ। এটি বাইরে এসছে (করোনা ভাইরাস) যারা তাদের ভক্ষণ করবে তাদের শাস্তি হিসাবে মৃত্যুর বার্তা দেওয়ার জন্য।”

উল্লেখ্য, নভেল করোনা ভাইরাসে এখনও পর্যন্ত ১৬৭০ জন মারা গিয়েছেন এবং সারা বিশ্বে মোট ৬৯,২৬৮ জন মানুষ এই মারণ রোগে আক্রান্ত। যাদের মধ্যে ৬৮,৫০০ জন কেবল চিনেই আক্রান্ত এবং সেখানে এখনও পর্যন্ত ১৬৬৬ জন মারা গিয়েছেন।

এ বিষয়ে চক্রপাণি বলেন, চিনবাসীকে ছোটো থেকেই প্রাণীদের অত্যাচার করার একটা পাঠ শেখানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, “চিনবাসীদের সত্বর নিরামিষাশীতে পরিণত হওয়া উচিত।”

এমনকি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-কে তিনি পরামর্শ দেন, “করোনা ভাইরাসের একটা মূর্তি গড়ে তার সামনে ক্ষমাপ্রার্থনা করার। তাহলেই সেখানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমবে।”

এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, “আমিষভোজী চৈনিকদের শপথ নেওয়া উচিত যে তারা আর কোনোদিন কোনও নিষ্পাপ পশুকে হত্যা করবে না, তাহলেই এই করোনা নামের আতঙ্ক দূর হবে। যদি চৈনিকরা এই প্রেসক্রিপশন মেনে চলে তাহলেই এই ‘অবতার’ তাদের দুনিয়াতে ফিরে যাবে।” হিন্দু মহাসভা প্রধান আরও বলেন যে, “ঈশ্বরের উপাসনা এবং গো-রক্ষার বিশ্বাসী ভারতীয়রা করোনভাইরাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন।”

উল্লেখ্য, পেটা জানিয়েছে, চিনের উহান প্রদেশ থেকে ভাইরাসটির উদ্ভব হতে পারে যেখানে মানুষের সাথে জীবন্ত প্রাণী এবং মাংসের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। “বিশেষজ্ঞরা তাত্ত্বিক ধারণা করেছেন যে এই প্রাদুর্ভাবের উদ্ভব হতে পারে চিনের উহানের বাজারে। যেখানে মানুষের জীবন্ত প্রাণী এবং পশুর মাংসের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে,” বলে জানায় পেটা।