লকডাউনের মধ্যে বিপজ্জনক যাত্রার পথ হিসেবে নৌকাকে বেছে নিলেন একাধিক পরিযায়ী শ্রমিক

0

ওড়িশা: মঙ্গলবার চেন্নাই থেকে ৩৩ জন পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে আরেকটি মাছ ধরার নৌকা ওড়িশার গাঞ্জাম জেলায় পৌঁছেছে। ২৫ শে এপ্রিল পর্যন্ত আসা এটি হল তৃতীয় মোটরবোট যা চেন্নাই থেকে গাঞ্জামে পরিযায়ী শ্রমিকদের বহন করেছে। করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের ফলে বিভিন্ন জায়গায় বহু পরিযায়ী শ্রমিক আটকে পড়েছে। লকডাউন উপেক্ষা করে এই পরিযায়ী শ্রমিকরা কোনও সুরক্ষার সরঞ্জাম ছাড়াই বিপজ্জনক যাত্রার পথ বেছে নিয়েছিল।

মোটরবোটটি ২৪ শে এপ্রিল চেন্নাই থেকে যাত্রা করে এবং গোপালপুর বন্দরের কাছে রাত্রি ১ টার সময় আরজ্যপল্লী ফিশিং জেটিতে পৌঁছেছিল। ১৯ জন যাত্রী গাঞ্জামের এবং একজন পুরীর এবং অন্য তিনজন অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার বাসিন্দা। তাদের আরজ্যপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ে কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছে। তাদের একটি মেডিকেল টেস্ট করা হয় এবং ওই ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

ওই ব্যক্তিরা যে নৌকা করে এসেছিলেন সেই নৌকার দুটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটি অন্ধ্রপ্রদেশ-ওড়িশা সীমান্তের কাছে খারপ হয়ে গিয়েছিল। নৌকাটি একটি ইঞ্জিনে চলার কারণে তাঁরা গন্তব্যে দেরিতে পৌঁছেছিল। তামিলনাড়ুর কাসিমেদু ফিশিং জেটিতে কর্মরত এক পরিযায়ী শ্রমিক ২ লক্ষ টাকা দিয়ে নৌকাটি কিনেছিল। সোমবার বিকেলে চেন্নাই থেকে ২৫ জন শ্রমিক নিয়ে একটি মোটরবোট গাঞ্জাম জেলার রামিয়াপত্নায় পৌঁছেছিল।

২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় চেন্নাই থেকে ৩৮ জন পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে অন্য একটি নৌকা পতিসুনাপুরে পৌঁছেছিল। এর মধ্যে গাঞ্জাম জেলার ২৯ জন এবং অন্ধ্রপ্রদেশের নয় জন রয়েছেন। এদের সকলেই গাঞ্জাম জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টিনে রয়েছেন।