ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির উৎসব হিসাবে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি সহ বিভিন্ন নেতারা

0

নয়াদিল্লি: করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের মধ্যে সোমবার পালিত পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ একাধিক নেতা। শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলেই ট্যুইট করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে লিখেছেন, “ঈদ মোবারক! ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। এই বিশেষ উপলক্ষটি সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব এবং সংহতির চেতনা আরও বাড়িয়ে তুলুক। সবাই সুস্থ থাকুক ও সমৃদ্ধ হোক।” তিনি রেডিওতে তাঁর মাসিক অনুষ্ঠান মন কি বাতে বক্তব্য রাখার সময় জানিয়েছিলেন, “রমজান যখন শেষবারের মতো পালন করা হয়েছিল, আমরা কখনই ভাবিনি যে এবার এত সমস্যা হবে। এখন যেহেতু আমরা সঙ্কটে রয়েছি তাই আমাদের ধৈর্য, ​সংবেদনশীলতা এবং নিঃস্বার্থতার সাথে পবিত্র মাসটি পালন করার সুযোগ রয়েছে। এবার আমাদের শেষবারের চেয়ে বেশি প্রার্থনা করতে হবে যাতে ঈদের আগে বিশ্ব করোনভাইরাস থেকে মুক্ত হয়। আমরা যাতে আগের মতোই আনন্দের সঙ্গে উৎসব পালন করতে পারি।”

রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ ট্যুইট করে লিখেছেন “ঈদ মোবারক! এই উত্সবটি ভালবাসা, ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক। ঈদ দুর্বল ও অভাবগ্রস্তদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে আমাদের বিশ্বাসকে পুনরায় প্রমান করে। আসুন আমরা এই ঈদে এই চেতনাটি বহন করি এবং করোন ভাইরাস ছড়ানো রুখতে সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলি অনুসরণ করি”

উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডুও তিনটি ভাষায় ট্যুইট করে লিখেছেন, “আমি আশা করি আমরা সকলেই আনন্দ, এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে সকলকে বাঁচিয়ে রেখে উত্সবটি উদযাপন করব যা পবিত্র অনুষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত। ঈদ উল ফিতরের সঙ্গে যুক্ত মহৎ আদর্শ আমাদের জীবনে স্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির সূচনা করতে পারে।”

কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভী তাঁর বাড়িতে নামাজ পড়েছেন এবং ঈদ উপলক্ষে মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ট্যুইট করে লিখেছেন, “আপনাদের প্রত্যেককে ঈদ মোবারক। শুভ ঈদ।” সেই সঙ্গে দিল্লি এবং সারা দেশের মুসলিমদের সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউন নিয়ম মেনে সোমবার ঈদ পালনের আবেদন করেছেন।

জুমা মসজিদ শাহী ইমাম সৈয়দ আহমদ বুখারী মহামারী সংকট চলাকালীন মানুষকে সরলতার সাথে ঈদ উদজাপনের কথা বলেন এবং দরিদ্র মানুষ ও তাদের প্রতিবেশীদের সাহায্য করার আহ্বান জানান। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীর ও কেরালায় ঈদ পালিত হয়েছিল।