লাদাখে চিনা সেনা মোতায়েন নিয়ে ভারত-চিন সীমান্তে চড়ছে উত্তেজনার পারদ

0

নয়াদিল্লি: ৫ মে পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই লাদাখে ইন্দো-চিন সীমান্তে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছিল দুই পক্ষের সেনা। লাদাখে সীমান্ত বরাবর অধিক সংখ্যার চিনা সেনা মতায়েন করার খবর পাওয়ায়ার পরই সো ও গালওয়ান উপত্যকায় আরও বেশী সংখ্যায় ভারতীয় সেনা মতায়েন করা হয়েছে।

ভারতের ও চিনের পরিস্থিতি নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত নর্দান সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিএস হুডা জানিয়েছে ওই দুই এলাকায় সেনা মতায়েন ঘটনা বেশ চিন্তাজনক কারণ সো ও গালওয়ান উপত্যকার সীমান্তরেখায় কোনও সমস্যা নেই। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “বিষয়টা গুরুতর। এটা কোনও সাধারণ সীমা উল্লঙ্ঘন নয়।” সূত্রে খবর ওই দুই এলাকাতে দুই থেকে আড়াই হাজার সেনা মতায়েন করেছে চিন। সেই সঙ্গে ১০০টি শিবির তৈরির পাশাপাশি বাঙ্কার নির্মাণের ভারী উপকরণও মজুত করা হয়েছে।

সূত্রের খবর লাদাখ প্রচণ্ড ঠাণ্ডা হওয়ার কারণে সেনা দিয়ে সর্বদা নজরদারি অসম্ভব তাই ওই অঞ্চলের সীমান্তে আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিক্যাল দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে ভারত। কৌশল নির্মাণ বিশেষজ্ঞ রাষ্ট্রদূত অশোক কে কান্ঠা লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিএস হুডার সঙ্গে সহমত পোষণ করে জানিয়েছেন সীমান্তে ভারত ও চিনা সেনার ভূমিকা যথেষ্ট অস্বস্তির। অশোক কে কান্ঠার মতে লাদাখে চিনা সেনার রুটিনমাফিক সীমান্ত লঙ্ঘনের ঘটনা নয়।

উত্তরাখণ্ডের এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গত সপ্তাহেই লাদাখে গিয়েছিলেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। অনেক আগে থেকেই নয়া দিল্লি সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের অভিযোগ করে আসছে। চলতি বছরে ভারতীয ভূখণ্ডে ১৭০ বার অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে চিনা সেনা। তার মধ্যে লাদাখ দিয়ে ১৩০ বার প্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়েছে।