গর্ভবতী গাভীকে খাওয়ানো হল বিস্ফোরক, কোথায় গেলেন হাতি হত্যার জন্য মুসমিলদের দায়ী করা ব্যক্তিরা? উঠেছে প্রশ্ন

0

বিলাসপুর: কেরালায় গর্ভবতী হাতি হত্যা নিয়ে আওয়াজ তোলা এখনও থামেনি। এরই মধ্যে হিমাচল প্রদেশে গর্ভবতী গরুর উপর ঘটে গেল আরও একটি অমানবিক ঘটনা। যেখানে কিছু অমানবিক লোকেরা গর্ভবতী গরুকে খাবারের সঙ্গে বিস্ফোরক খাইয়ে দেয়, যার কারণে ওই গরুর চোয়াল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়। ঘটনাটি হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলার ঝান্ডুতা অঞ্চলে। জানা গিয়েছে যে, মাঠে চড়ার সময় একটি গর্ভবতী গাভীর মুখের মধ্যে বিস্ফোরণ হয় এবং তার চোয়াল উড়ে যায়। গরুটির আঘাতের ভিডিও তৈরি করে মালিক প্রশাসনের কাছে সহায়তা চেয়েছেন।

ভিডিওতে গরুরটির বিস্ফোরণে আঘাত পাওয়া চোয়াল দেখা যাচ্ছে। গরুর মালিক গুরদয়াল বলেছেন, যারা এ জাতীয় কাজ করে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত। গুরদয়াল অভিযোগ করেছেন যে তার প্রতিবেশী নন্দলাল এটি করেছে, তার গরুকে বিস্ফোরক খাইয়ে পালিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় পুলিশ বলছে যে ঘটনাটি দশ দিনের পুরনো। গুরদয়ালের অভিযোগের ভিত্তিতে পশুর নিষ্ঠুরতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ মামলাটির তদন্ত করছে। অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে, তার খোঁজ চলছে। মজার বিষয় হল কেরলে যখন গর্ভবতী হাতি মারা গেল সেই নিয়ে তোলপাড় হল সোশ্যাল মিডিয়া-সেলেবরা ও রাজনৈতিক মহল।

সেই ঘটনাটির জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভেদকর এবং বিজেপি সাংসদ মানেকা গান্ধী মলাপ্পুরম জেলার মুসলিমদের দায়ী করেছিলেন। দুজনেই ধারাবাহিকভাবে টুইট করেছিলেন। তবে হিমাচল প্রদেশে যখন একইরকম ঘটনা ঘটল এবং একটি গর্ভবতী গরুকে বিস্ফোরক দিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করা হল, তখন চারিদিকে নীরবতা। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি নীরব। লোকেরা অপেক্ষা করছে যে প্রকাশ জাভেদকর এবং মানেকা গান্ধীর মতো কেউ টুইট করবেন কিনা। রতন টাটার মতো শিল্পপতী এবং বলিউড তারকাদেরও চোখের জল পড়বে কিনা? কিন্তু না, চারিদিকে নীরবতা রয়েছে। তবে কি সব দায় মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দিয়ে হিন্দুত্বকে প্রতিষ্ঠা করাই এখন ট্রেন্ড!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here