ভারতে নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপ! আর এদিকে এক চিনা অ্যাপে মোদীর ফলোয়ার্স ২ লক্ষেরও বেশি

0

নয়াদিল্লি: লাদাখে চিনের আগ্রাসী মনভাবে ক্ষুব্ধ ভারত। ভারত-চিন সামরিক স্তরে আলোচনার পরেও চিন শান্তির বার্তা দিলেও চিন তাঁদের অবস্থান থেকে অনড়। তাই চিনকে উচিত শিক্ষা দিতে ভারত হাতে নয় ভাতে মারল। চিনের বিরুদ্ধে মোদী সরকার ঘোষণা করল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’-এর কথা। সোমবার কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, ভারতে নিষিদ্ধ করা হল টিকটক, জেনডার, শেয়ার ইট, ইউসি ব্রাউজার, হ্যালো, সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপ। তবে লক্ষনীয় বিষয় এটাই নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপের তালিকায় থাকা উইবো-তে মোদীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।

বলা ভালো যে নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপ উইবোতে রয়েছে খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট। শুধু এটাই নয় মোদীর সেই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ফলোয়ার্স। এখানেই শেষ নয় চিনা অ্যাপ উইবো-তে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট ছিল ভেরিফায়েড। এই অ্যাকাউন্টে জন্যই চিনেও মোদীর জনপ্রিয়তা ছিল বেশ চোখে পড়ার মত। উইবোর জনপ্রিয়তা বেশী চিনে যেমন ভারতে ট্যুইটারের জনপ্রিয়তা রয়েছে। জানা গিয়েছে চিনের মানুষের কাছে পৌঁছাতেই উইবো-তে অ্যাকাউন্ট খোলেন মোদী। কিন্তু এখন সেই চিনা অ্যাপও ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষিত অ্যাপের তালিকায় পড়ে গিয়েছে।

লাদাখে চিন “একতরফাভাবে” পরিবর্তন আনার চেষ্টার ফলে গালওয়ান উপত্যকায় ১৫ জুন রাতে ভারত-চিনের মুখোমুখি সংঘর্ষে শহীদ হন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। যার রেশ এখনও কাটেনি মেলেনি কোনও সমাধান সূত্র। তাই চিনেকে সবক সেখাতে চিনা অর্থনীতির উপর কোপ ফেলল ভারত। সূত্রের খবর মোদী সরকার শুধু চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করছে না সেই সঙ্গে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চিনা সামগ্রী ব্যবহারও নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে।

বলা ভালো যে করোনা বিশ্বজুড়ে থাবা বসানোর পর থেকে বিশ্বের কাছে কোণ ঠাসা হয়েছে চিন। তার উপর ভারতের প্রতি চিনের মনোভাব কেউই ভালো চোখে দেকছে না। লকডাউনের সুযোগ নিয়ে ভারতীয় বানিজ্যক ক্ষেত্রে মাথা গলাতে চেয়েছিল চিন কিন্তু ভারত সে সুযোগ দেয়নি। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ নীতির ক্ষেত্রেও লকডাউনের মধ্যে রাশ টেনেছে ভারত। শক্তি দিয়ে নয় বরং বুদ্ধি ও কৌশল ব্যবহার করেই চিনকে মাত দিতে চাইছে ভারত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here