আবারও কংগ্রেসে নবীন- প্রবীণ দ্বন্ধ, রাহুলকে সভাপতি পদে ফেরানোর দাবি

0

নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ছিল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদদের নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর বৈঠক। রাজ্যসভার সাংসদদের নিয়ে সোনিয়া গান্ধী সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের ভূমিকা ঠিক করতে আলোচনায় বসেন। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের মধ্যে সচেতনভাবে নবীন এবং প্রজন্মের দ্বৈরথ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠলো। এর আগে গুরুত্ব না পাওয়ার কারণে দল ছেড়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতন নবীন নেতা। সাম্প্রতিককালে রাজস্থানে নবীন প্রবীণ দ্বন্ধে বিদ্রোহী হয়েছেন কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যসভার কিছু সদস্যের দাবি ইউপিএ দুই এর পর থেকে যে ধারাবাহিক ব্যর্থতার স্বীকার কংগ্রেস, তা পর্যালোচনা করার সময় এসেছে। এই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা, গুলাম নবি আজাদ, কপিল সিব্বল, এ কে অ্যান্টনি প্রমুখ। বৈঠকের মাঝপথে কংগ্রেসের প্রবীণ রাজনৈতিকরা সনিয়া গান্ধীর কাছে আবেদন জানান এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি নতুন করে ভাবতে হবে। কংগ্রেসের সারা দেশব্যাপী সাংগঠনিক দুর্বলতার চিত্র শেষ দুই নির্বাচনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।।সেই সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে হবে।

এর পরেই রাজ্যসভার সাংসদ পি এল পুনিয়া, রিপন ভোরা এবং ছায়া ভারমা দাবি করেন রাহুল গান্ধীকে পুনরায় দলের প্রধান পদে ফেরানো হোক। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের কিছু সিনিয়র নেতা বৈঠকে দাবি করেন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার অত্যন্ত দায়সারা ভাবে করোনা পরিস্থিতি, চীনের আগ্রাসন এবং ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির মোকাবিলা করছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কংগ্রেসের প্রতিবাদ মানুষের দরজায় পৌঁছচ্ছে না সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে। অন্যদিকে বিজেপি এখনো সাংগঠনিক শক্তির জোরে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে। যা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রবীণ নেতারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here