লোকসভায় কেন্দ্রের স্বীকারোক্তি: জম্মু ও কাশ্মীরে এক বছরে ১১১ টি অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে

0

নয়াদিল্লি: গত এক বছরে সীমান্ত পেরিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রায় ১১১ টি জঙ্গি অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলেই মঙ্গলবার লোকসভায় জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিশান রেড্ডি। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, চলতি বছরে মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৩৮ জন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে।

তিনি লিখিত জবাবে বলেছেন, “আগস্ট ২০১৯ থেকে জুলাই ২০২০ পর্যন্ত সীমান্ত পেরিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রবেশের ১৭৬ বার প্রচেষ্টা ছিল এবং এর মধ্যে ১১১ টি সফল হয়েছে। জি কিশান রেড্ডি বলেছেন, জম্মু-কাশ্মীর গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সন্ত্রাসবাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্পনসর শুধু নয়, জঙ্গিপনায় সমর্থনও জোগানো হচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে। নাম না করে পাকিস্তানকে এই ভাবেই আক্রমণ করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নীতি গ্রহণ করেছে এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সুরক্ষা বাহিনী কার্যকর ও ধারাবাহিক ব্যবস্থা নিচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ফলস্বরূপজম্মু ও কাশ্মীরে, ২০২০ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২০ সালের আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীরে ১৩৮ জন সন্ত্রাসী খতম হয়েছে। ছয় মাসের এই সময়কালে, সন্ত্রাস-সম্পর্কিত ঘটনা, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং সীমান্তে ফায়ারিংয়ে ৫০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য শহীদ হয়েছেন।”

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যহার করার পর থেকেই ভারতের উপর পাকিস্তানের আক্রোশ আরও বেড়ে গিয়েছে। তার উপর সীমান্তে কড়া নজরদারির কারণে জঙ্গি অনুপ্রবেশে ব্যর্থ হওয়াতে আরও ক্ষেপে উঠেছে পাকিস্তান। সেই কারণে সীমান্তে পাক সেনারা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বার বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করা পাকিস্তানের একটি চাল বলেই সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পাক জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশ করোনার জন্যই সেনাদের আক্রমণ করছে। যাতে ভারতীয় সেনার নজর সীমান্ত থেকে সরে যায় আর সেই সুযোগকেই জঙ্গিরা ব্যবহার করতে পারে। ভারতীয় সেনার কড়া পাহারাকে শিথিল করার উদ্দেশ্যেই এই কাজ করে চলেছে পাক সেনারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here