লাদাখ সীমান্তে পূর্বাবস্থা ফেরাতে ষষ্ঠবার সামরিক পর্যায়ে বৈঠকে বসছে ভারত-চিন

0

নয়াদিল্লি: ১৫ জুনের পর থেকে ভারত-চিনের সম্পর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একাধিকবার উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের পরেও মেলেনি কোনও সমাধান সূত্র। চিনের সঙ্গে তীব্র সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেও সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সজাগ অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য উভয় সেনাবাহিনীর কর্পস কমান্ডার পদযুক্ত আধিকারিকরা ষষ্ঠবার বৈঠকে বসতে চলেছেন।

সামরিক সংলাপ যা সম্ভবত সকাল ৯ টায় চুশুল সেক্টর জুড়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কাছে মোল্ডো শুরু হওয়ার কথা। এই প্রথমবার এই বৈঠকে থাকবেন বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। বৈঠকটিতে ইতিবাচক ফল পাবে তা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ হিসাবে বিদেশমন্ত্রক থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দুই সেনাবাহিনীর কর্পাস কমান্ডার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা এখনও পর্যন্ত পাঁচবার বৈঠক করেছেন, তবে লাদাখ সেক্টরে অচলাবস্থা ভেঙে ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। সোমবার ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন সেনাবাহিনীর ১৪ কর্পসের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং। অন্যদিকে, চিনের সেনাবাহনীর সাউথ শিনচিয়াং রিজিয়নের কমান্ডার মেজর জেনারেল লিউ লিন তাঁদের দেশের প্রতিনিধি দলের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে পারেন।

সম্প্রতি চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে রাশিয়ায় কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। দুই পক্ষই আলচনায় পাঁচটি বিষয় নিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, ‘সীমান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানই চায় ভারত, কিন্তু সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে আপোস করে নয়! প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চিন একপাক্ষিক ভাবে স্থিতাবস্থা নষ্টের চেষ্টা করলে ভারত তা মানবে না। সীমান্তে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতীয় সেনা।” অন্য দিকে রাশিয়ায় বৈঠকে চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সীমান্তের যাবতীয় ঘটনার জন্য ভারতকেই দায়ী করেছে। এক কথায় বলতে গেলে আদতে সীমান্তে অচলাস্থা বজায় রয়েছে। সেই সমস্যা সমাধানের জন্য সমাবার আবারও বৈঠকে বসছে ভারত চিন।