প্রকাশিত মোদী-শাহের সম্পত্তির হিসেব: এক বছরে প্রধানমন্ত্রীর সম্পত্তি বাড়ল ৩৬ লাখ টাকা

0

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি তার সম্পত্তি ও দায়বদ্ধতা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। গত বছর অবধি তার সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২.৪৯ কোটি টাকা। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৮৫ কোটি টাকা। ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স এবং এফডির কারণে এক বছরে তার সম্পত্তি বেড়েছে ৩৬ লাখ টাকা। এছাড়াও এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও তার সম্পত্তির বিবরণ দিয়েছেন। সেই তথ্য অনুসারে, তাদের অর্থ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা হয়। বাজারের ওঠানামার কারণে তাদের ৩.৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

৭০ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রীর কোনও ঋণ নেই। তার কাছে নগদ রয়েছে ৩১,৪৫০ টাকা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩.৩৮ লক্ষ টাকা রয়েছে। ৩১ মার্চ ২০১৯ এ তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কেবল ৪,১৪৩ টাকা ছিল। এসবিআইয়ের গান্ধীনগর শাখায় তার এফডিতে ১ কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৩৯ টাকা রয়েছে। এক বছর আগে এই পরিমাণ ছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৪ টাকা। ৩৩ লক্ষ টাকা তিনি স্থায়ী বিনিয়োগের থেকে ফেরত পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর কোনও গাড়ি নেই। সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী পিএম মোদীর রিয়েল এস্টেটে কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।

তাঁর নামানুসারে গান্ধীনগরে একটি বাড়ি রয়েছে, যার মূল্য ১.১ কোটি। এই বাড়ির মালিকানা মোদী এবং তাঁর পরিবারের হাতে রয়েছে। মোদীর চারটি সোনার আংটি রয়েছে। মোদীর বেতন দুই লাখ টাকা, যা বৈশ্বিক স্তরের তুলনায় অনেক কম। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী সহ রাষ্ট্রপতি, সহ-রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা তাদের বেতন ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। এটি এপ্রিল মাসে শুরু হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সম্পদের এই বৃদ্ধি তার বেতনের সঞ্চয় এবং এফডি সুদের কারণে।

অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সম্পত্তি হ্রাস পেয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সম্পত্তির বিবরণও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) হস্তান্তর করেছেন। ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেখানে ৩২.৩ কোটি টাকার মালিক ছিলেন, ২০২০ সালের জুন মাসে এসে সেটা কমে হয়েছে ২৮.৬৩ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সহ বেশিরভাগ প্রবীণ মন্ত্রীরা তাদের সম্পত্তির বিবরণ দিয়েছেন। একই সাথে রামদাস আটওয়াল, বাবুল সুপ্রিয় সহ অনেক জুনিয়র মন্ত্রী এখনও এই বিবরণ প্রকাশ করেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here