দিল্লিতে হিংসাত্মক ঘটনার জেরে ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বাতিল করল কৃষক সংগঠনগুলি

0

নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন কৃষকদের লালকেল্লা অভিযানে তাণ্ডবের জেরে জোর ধাক্কা খেল কৃষক আন্দোলন। ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বাতিল করল কৃষক সংগঠনগুলি। বুধবার এই ঘোষণা করে কৃষক নেতা দর্শন পাল।ড্যামেজ কন্ট্রোলে কৃষকনেতা দর্শন পাল বলেন, “১ ফেব্রুয়ারি বাজেটের দিন সংসদ অভিযান আমরা বাতিল করেছি। তবে প্রতিবাদ চলবে। জানুয়ারির ৩০ তারিখ দেশজুড়ে জনসভা ও অনশন হবে।”

২৬ জানুয়ারি ট্রাক্টর মিছিলের পর ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযানের কথা ছিল কৃষকদের। কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন এক বিশেষ কৃষক সংগঠনের লালকেল্লায় দখল ও সেখানে সংগঠনের পতাকা ওড়ানোর ঘটনা তীব্র ভাবে নিন্দিত হয়েছে দেশজুড়ে। কৃষক ও পুলিশের খণ্ডযুদ্ধে প্রায় পুলিশ আহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কিছু কৃষকরাও।

আর এই ঘটনাই জোর ধাক্কা দিয়েছে গোটা কৃষক আন্দোলনকে। ইতিমধ্যেই দুটি কৃষক সংগঠন তাদের নাম সরিয়ে নিয়েছে আন্দোলনকে। একই সঙ্গে অভিনেতা দীপ সিধুকে দিয়ে লালকেল্লায় নিশান সাহেবের পতাকা টাঙিয়ে আন্দোলনকে ‘কলুষিত’ করার অভিযোগও জানিয়েছেন কৃষকনেতারা। যদিও ঐক্যবদ্ধ ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাইছে ৫০০ টি কৃষক সংগঠনের মহাজোট।

এদিকে, লালকেল্লা ঘটনায় কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগের দাবি তুলেছে কংগ্রেস। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, উস্কানিমুলক ভাষণ দিয়ে হিংসাত্মক ঘটনায় প্ররোচনা দিয়েছেন কৃষকনেতারা। দিল্লির পুলিশ কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি আমরা। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে অত্যন্ত আধুনিক ফেসিয়াল রেকগনিশন সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। দোষীদের রেয়াত করা হবে না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কৃষকনেতা সতনাম সিং পান্নু ও দর্শন পালের মতো নেতার ভিড়কে উসকে দিয়েছিলেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাবরেকর।