পশ্চিমবঙ্গের পাশপাশি পারদ চড়ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতির, ১৫৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কামাল হোসেন

0

চেন্নাই: আগামি একমাসের মধ্যেই দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার মধ্যে একটি রাজ্য হলো তামিলনাড়ু। যখন সারা দেশের নজর পশ্চিমবঙ্গের হাই ভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের উপর তখন পারদ চড়ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতেও। কারণ একুশে পশ্চিমবঙ্গে মমতাকে হারানো বিজেপির কঠিন লড়াই। সর্বভারতীয় বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রেস্টিজ ফাইট বললেও কমা কিছু হবে না। দেশের বাকি রাজ্যগুলিতে হেনতেন প্রকারে নিজেদের কামড় বসাতে সক্ষম হলেও বাংলা অধরাই থেকে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের। তাই বর্তমানে নীল বাড়ি দখলের স্বপ্নে বিভোর পদ্মশিবির।

অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে অপেক্ষাকৃত সহজ ফাইট বিজেপির জন্য। সেখানে শাসক দলের সাথে বিজেপির জোট সরকার আগে থেকেই ক্ষমতা রয়েছে। তবু সরগরম তামিলনাড়ুর রাজনীতি। একুশে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন দাক্ষিণাত্যের মেগাস্টার কমল হাসান। সোমবার রাতেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন তিনি। তামিলনাড়ুর ২৩৪ টা আসনের মধ্যে ১৫৪ টা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দল ‘মাক্কাল নিধি মাইয়াম’ ও দুই জোটসঙ্গী এআইএসএমকে ও আইজেকে। জোটসঙ্গী দুই দলকে ছাড়া হয়েছে ৪০ টি করে আসন। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিল কমল হাসানের দল। অন্যদিকে আসন রফা চূড়ান্ত হয়েছে ডিএমকে’র মহাজোটের। এমকে স্ট্যালিনের ডিএমকে একুশে লড়বে ১৮০ টি আসনে। ২৫ টা আসনে লড়ার ছাড়পত্র পেয়ে ঠিক তার পরেই রয়েছে কংগ্রেস। ছ’টি করে আসন ছাড়া হয়েছে সিপিএম ও সিপিআইকে।

ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ এবং এমএমকের যথাক্রমে ৩ ও ২টি আসন পাবে। উল্লেখ্য, ডিএমকে’র সাথে সিপিএম ও কংগ্রেসের আসন রফা নিয়ে জট পাকায় জোটের। কংগ্রেস প্রথমে তিরিশটা আসন তাদেরকে ছাড়ার দাবি করে। কিন্তু ডিএমকে সাফ জানিয়ে দেয়, ১৮ থেকে ২০ টা আসনের বেশি কংগ্রেসকে ছাড়া হবে না। কিন্তু শেষপর্যন্ত সোনিয়া গান্ধীর মধ্যস্থতায় কংগ্রেসকে ২৫ টা আসন ছাড়তে রাজি হয় ডিএমকে। একইভাবে সিপিএমের দাবি ছিল বারোটি আসন। পরে তারা ডিএমকে নেতৃত্বকে জানায়, অন্তত ছ’টি আসন তাদের দিতেই হবে। যেহেতু বাকি ছ’টি আসনে লড়ছে সিপিআই। ডিএমকের দফত