ভারতের আকাশে উড়বে অস্ত্রবাহী ড্রোন, নজরে চিন-পাকিস্তান

0

নয়াদিল্লি: বিপদ যেন পিছু ছাড়ছে না। একদিনে চিন অন্যদিকে পাকিস্তান।  লাদাখ সংঘর্ষের পর চীনের বিরুদ্ধে ভারত যে শক্ত অবস্থান নেবে তা একপ্রকার নিশ্চিত ছিল। তাই দুই ফ্রন্টে শত্রুপক্ষের সঙ্গে একযোগে লড়াই চালাতে এবার সশস্ত্র মার্কিন ড্রোন কেনার কথা ভাবছে ভারত।

১২ই মার্চ শুক্রবার কোয়াড ব্লকের বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠকে এই বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ফৌজ আমেরিকার তৈরি ‘এমকিউ-৯বি প্রেডিটর’ ড্রোন কিনতে আগ্রহী। যা কিনতে মোট খরচ হবে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই মাসেই ভারতে আসতে পারেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। তাঁর সফরেই এই ব‌্যাপারে প্রাথমিক কথা সেরে ফেলতে চায় দিল্লি। প্রসঙ্গত, বাংলায় ‘প্রেডিটর’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শিকারি। মার্কিন ড্রোনটিও অত্যন্ত সফল শিকারি হিসেবেই পরিচিত। কোন শব্দ না করেই আকাশ থেকে আচমকা মিসাইল হামলা চালিয়ে শত্রুশিবিরে তাণ্ডব চালাতে পারে এই যানটি।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভারতের সেনার কাছে বাড়তি পাওনা এই ড্রোনগুলি। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষায় বৃহত্তম অংশীদার হিসেবে নাম উঠে এসেছে ভারতের। কূটনৈতিক মহলের খবর, পাকিস্তান ও চিনের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে জলে ও স্থলে ও আকাশে শক্তিকে আরও মজবুত করতে চায় কেন্দ্র। সেই কারণেই, প্রথমবার কোনও মার্কিন কোম্পানি থেকে সশস্ত্র ড্রোন কেনার চিন্তাভাবনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তাদের মাথায়

মোদি সরকারের আমলে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের আমূল পরিবর্তন হযেছে। বিশেষ করে দেশের প্রতিরক্ষা ব‌্যবস্থাকে ঢেলে সাজতে ইতিমধ্যেই আড়াইশো বিলিয়ন ডলার অর্থ খরচ করেছে মোদি সরকার। কিন্তু তা সত্ত্বেও সীমান্তে স্বস্তি নেই। বিশেষ করে গালওয়ান পরবর্তী সময়ের পর লাদাখে দিল্লির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বেজিং। তাই এই সশস্ত্র ড্রোন কিনে এক ঢিলে দুই পাখি মারার বার্তা দিতে চায় দিল্লি।