জ্বালানির পর এবার নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়বে ২০ শতাংশ, পিছনে রয়েছে চিনের কারসাজি

0

নয়াদিল্লি: এপ্রিল মাস থেকে রোজকার প্রয়োজনের ওষুধের দাম এপ্রিল মাস থেকে সামান্য হলেও বাড়বে। ফলেই বর্তমানের চেয়ে কিছুটা বেশি দামেই কিনতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক। ইতিমধ্যেই ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বহুল ব্যবহৃত ওষুধের দাম খানিকটা বাড়ানোর অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচকে ০.৫ শতাংশ পরিবর্তন হয়েছে বলেই কেন্দ্রীয় সরকারের ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফে খবর।

তবে তাতে খুশি নন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার অধিকাংশ। তাঁদের দাবি, কাঁচামালের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে ওষুধের দাম অন্তত ২০ শতাংশ বাড়াতে হবে। জানা যাচ্ছে, যে যে ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে তার মধ্যে অন্যতম সাধারণ বেদনানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিইনফেক্টিভ, হার্টের ওষুধ। এমনি শোনা যাচ্ছে, দাম বাড়তে পারে প্যারাসিট্যামলেরও। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এই সঙ্কটের পিছনে থাকতে পারে চিনের কারসাজি। কারণ ওষুধ সংস্থাগুলি মনে করছে, চিন থেকে ওষুধ তৈরির যে সমস্ত কাঁচামাল ভারতে আমদানি হয়, চিন সে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি করেছে। ফলে ভারতে প্যারাসিট্যামলের মতো রোজকার প্রয়োজনীয় ওষুধ তৈরির খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।

সরকারি সূত্রের দাবি, প্রতি বছরই পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচক খতিয়ে দেখে ওষুধ সংস্থাগুলি সেই মতো দাম বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়। ২০২০-তে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচকে ০.৫ শতাংশর মতো পরিবর্তন হয়েছে। আর সেই মোতাবেক ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালস প্রাইসিং অথরিটি অর্থাৎ ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা দাম বৃদ্ধি করেছে রোজকার ওষুধের। তবে ওষুধের দাম বৃদ্ধির পিছনে কারসাজি যারই হোক, আখেরে মূল্যবৃদ্ধির বোঝার দায়ে ঝুলতে চলেছে সাধারণ মানুষ।