‘বেঙ্গল স্ট্রেন’ ! রূপ বদলে আরও ভয়ঙ্কর করোনা, বদল উপসর্গেও

0

নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এবং সমস্ত বয়সের মানুষকে সংক্রামিত করছে। তবে চিকিৎসকদের মতে যুব সমাজের আক্রান্তের সংখ্যা এবারে বেশি। তবে নতুন লক্ষণগুলি আরো মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। এর বিশেষত্ব হ’ল শরীর লালা উত্পাদন করতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে গলা শুকিয়ে আসবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবার চিবানো বা সঠিকভাবে কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে বধিরতা বা শ্রবণশক্তি হ্রাস, মাংসপেশীর ব্যথা, ত্বকের সংক্রমণ, দৃষ্টিশক্তি খারাপ হওয়া, পেট খারাপ হওয়া এবং কনজেক্টিভাইটিস বা গোলাপী চোখের মতো অন্যান্য নির্দিষ্ট লক্ষণগুলি খুব কমই উদ্ভাসিত হয় এবং এটি নতুন স্ট্রেনে বেশি দেখা যায়।

দেশে সংক্রমণের দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফের পিছনে রয়েছে ডবল মিউট্যান্ট করোনা ভাইরাস। কিন্তু এবার সন্ধান মিলেছে ট্রিপল মিউট্যান্ট কোভিড-১৯ ভাইরাসের। এই নয়া স্ট্রেনের পোশাকি নাম ‘বেঙ্গল স্ট্রেন’।

কতটা ক্ষমতাশীল এই ‘বেঙ্গল স্ট্রেন’? প্রাথমিক ভাবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই স্ট্রেনের সংক্রমিত করার ক্ষমতা সম্ভবত অনেক বেশি। তারা আরও বলেছেন, যদি কেউ এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েও থাকেন এমনকী টিকাও নিয়ে থাকেন তাহলেও তাঁর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মহারাষ্ট্র, দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গে ট্রিপল মিউট্যান্টের জন্যই লাফিয়ে সংক্রমণ বাড়ছে। বাংলায় এই নয়া স্ট্রেনের অত্যধিক দাপটের কারণেই নামের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে ‘বেঙ্গল’। দেখা গিয়েছে, ডবল মিউট্যান্টের সঙ্গে ট্রিপল মিউট্যান্ট, দুই ধরনের স্ট্রেনই রীতিমতো দাপট দেখাতে শুরু করেছে রাজ্যে। যার ফলে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। তবে এই নয়া স্ট্রেন অন্যগুলির থেকে ঠিক কত বেশি ভয়ানক তা জানতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এই আতঙ্কের মধ্যে আশ্বস্ত করছেন গবেষকরা। ইতিমধ্যেই ICMR-এর তরফে জানানো হয়েছে, ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন টিকা এই নয়া স্ট্রেনের সঙ্গে টেক্কা দিতে সক্ষম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here