হোম আইসোলেশনের সময়সীমা কমানো হল, নয়া বিধিনিষেধ জারি কেন্দ্রের

0

নয়াদিল্লি: কেন্দ্র জারি করলো আবারও কিছু নয়া নির্দেশিকা। তার মধ্যে রয়েছে করোনা আক্রান্ত রোগীকে ১০দিনের হোম কয়ারেন্টাইনে থাকার পর আর দরকার নেই করোনা পরীক্ষা করানোর একান্তে এই নিভৃতবাসে থাকা কালীন কি করতে হবে তাও এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। কোভিড আক্রান্ত রোগীকে বাড়ির অন্য সকল সদস্যদের থেকে আলাদা থাকতে হবে খোলামেলা ঘরে।বিশেষ করে বাড়িতে থাকা কো-মর্বিড রোগী বৃদ্ধ লোকজনের থেকে দূরে থাকতেই হবে।রোগীকে পড়তে হবে ৩ ল্যায়ারের মাস্ক।

মাস্ক বদলাতে হবে ৮ ঘণ্টা অন্তর। পরিচর্যাকারী ও রোগী ২ জনকেই পড়তে হবে N-95 মাস্ক। রোগীর ব্যবহৃত সকল জিনিস আলাদা রাখতে হবে।রোগীকে প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ কখন নিতে হবে রোগীকে? রোগীর যদি বুকে ব্যথা ও শ্বাস কষ্ট হয়।এছাড়া রোগীর মানসিক দ্বন্দ্ব তৈর হলে অবশ্যই তাকে পরামর্শ নিতে হবে চিকিৎসকের। এছাড়াও বলা হয়েছে মৃদু বা উপসর্গ হীন ব্যক্তিরা মেডিক্যাল অফিসারের পর্যবেক্ষণে থাকবেন হোম কয়ারেন্টেনে। বাড়িতে থাকতে হবে একা থাকার মতো ব্যবস্থা। এছাড়া নির্দেশিকায় হলো হয়েছে রোগীর পরিচর্যাকারীদের হাসপাতালের সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখতে।

মেডিক্যাল অফিসারের নির্দেশের পরেই ব্লাড সুগার,হার্ট বা পাকস্থলীর ও কিডনির সমস্যায় থাকা রোগী একান্তবাসে থাকতে পারবেন নচেৎ নয়। ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী ও এইচআইভি ,ট্রান্সপ্লান্ট এই সকল রোগীদের কোনো ভাবেই হোম আইলোসেশনে রাখা যাবে না।একান্ত যদি তাদের হোম আইসোলেশনে রাখা হয় তো যথাযথ চিকিৎসকের পরামর্শের পরেই তা সম্ভব হবে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিচর্যাকারীদের নিতে হবে হাইড্রোঅক্সিক্লোরোকুইন। কি পথ্য রোগী এই সময় নেবে তাও এই নির্দেশিকায় উল্লেখ্য করা হয়েছে। বলা হয়েছে। রোগীর স্বাস্থের অবনতি হলে বা কো-মর্বিডিটি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীকে দিনে দুবার গরম জলে গার্গল বা স্টিম নিতে হবে।দিনে ৪বার রোগী নিতে পারবেন প্যারাসিটামল ৬৫০ মিলিগ্রামের ট্যাবলেট।এর পরেও যদি রোগীর জ্বর নিয়ন্ত্রনে না আসে তো তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কেবলমাত্র হাসপাতালে ভর্তি রোগীই রেমডিসিভির নিতে পারবে।বাড়িতে থাকলে নয়। উপসর্গ যদি ৭দিনের বেশি থাকে তো অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।শ্বাস নিতে সমস্যা হলে যোগাযোগ করতে হবে হাসপাতালের সাথে। এছাড়াও হোম আইসোলেশনের সময়সীমা করা হলো ১০দিন। আগে এই সময়সীমা ছিলো ১৭ দিন এখন সেটি কমিয়ে ১০ দিন করা হলো। তবে এক্ষেত্রে থাকছে শর্ত যদি শেষ ৩দিন জ্বর না থাকে তবেই এই নিভৃতবাস কাটানোর পর আর করোনা পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন নেই। আজ থেকে এই নয়া নির্দেশিকা জারি হলো করোনার চিকিৎসায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here