এক নজরে দেখে নিন হোলিতে কী করবেন এবং কী করবেন না

0

শীতের বিদায়ের পরে বসন্ত আসে রঙের উৎসব সাথে নিয়ে। শীতের শুষ্কতা-রুক্ষতাকে বিদায় জানানোর পরে প্রকৃতি বসন্তের আগমনে নিজেকে রাঙ্গিয়ে তোলে নতুন রঙে। আর ঠিক সেভাবেই আমরাও মেতে উঠি রঙের উৎসবে। বসন্ত উৎসব মানেই রঙের উৎসব। বছরের এই একটা দিন আমরা সবাই নিজের পছন্দের মানুষকে ভালবাসার রঙে রাঙিয়ে তুলি।

জীবনের সকল নেতিবাচক দিককে দূরে সরিয়ে রেখে আমরা মেতে উঠি উৎসবের আনন্দে। হোলি কিংবা দোল অথবা বসন্ত উৎসব যে নামেই ডাকা হোক না কেন রঙের উৎসবের এই অবসরে আমরা সকলেই জীবনের বেরঙিন দিক গুলিকে রাঙিয়ে তুলি নতুন রঙে। তবে এই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার সময় কয়েকটা বিষয়ে নজর রাখা উচিত। যাতে আমাদের এই আনন্দ অন্য কারোর দুঃখের কারণ না হয়ে ওঠে।

করনীয়:
১। রঙ খেলতে যাওয়ার আগে মুখ এবং গায়ে হাতে তেল অথবা কোনও ক্রিম মেখে নেওয়া উচিত। এর ফলে ত্বকে সরাসরি রঙ লাগতে পারেনা। ফলে ত্বকের ক্ষতি হয়না।

২। চুল বেঁধে রঙ খেলতে যাওয়া উচিত। যাতে চুলে রঙ লেগে চুলের কোনও ক্ষতি না হয়।

৩। বাজারের সস্তা রঙের বদলে আয়ুর্বেদিক রঙ ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের পাশাপাশি পরিবেশেরও কম ক্ষতি হয়।

৪। লম্বা হাতার এবং লম্বা ঝুলের জামা-কাপড় পরে রঙ খেলতে যাওয়া উচিত। এতে গায়ে রঙ কম লাগে।

৫। রঙ খেলার সময় রঙ যাতে চোখে এবং কানে কোনও ভাবে না ঢুকে যায় সেই দিকে নজর রাখতে হবে।

বর্জনীয়:
১। অনিচ্ছুক কাউকে জোড় করে রঙ লাগানো কিংবা হঠাৎ করে কারোর গায়ে রঙ লাগিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

২। রাস্তার কুকুর-বিড়ালদের গায়ে রঙ লাগানো উচিত নয়। এই রঙ থেকে ওদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হতে পারে।

৩। রঙ ছাড়া অন্য কোনও উপকরণ যেমন মাটি-কাদা এইসব ব্যবহার করা উচিত নয়।

৪। রঙ খেলতে যাওয়ার আগে হাতে পায়ে বা মুখে কোনও প্রকারের বিউটি ট্রিটমেন্ট করানো উচিত নয়। কারণ এই সময় ত্বক সংবেদনশীল থাকে। ফলে রঙ লেগে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

৫। উৎসব পালনের জন্য এলাকার অনুষ্ঠানে খুব জোড়ে মাইক বাজানো উচিত নয়। এতে অঞ্চলের বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং শিশু ও অসুস্থ রোগীদের অসুবিধা হতে পারে।

উৎসবের এই আনন্দ যেন কোনও ভাবে কারোর অসুবিধা, দুঃখের কারণ না হয়ে ওঠে সেই দিকে সব সময় আমাদের নজর রাখা উচিত। তবেই উৎসবের আনন্দ ভালো ভাবে উপভোগ করা যাবে।