মমির সোনার জিহ্বা! মিশরে মাটি খুঁড়তেই চক্ষু চড়ক গাছ প্রত্নতাত্ত্বিকদের

0

ইজিপ্ট: মন্দার বাজারে লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। তবু মানুষের মধ্যে চাহিদা কমে নি সোলার। গল্পের জগতেও ‘সোনার কেল্লা’র প্রভাব বিন্দুমাত্র কমেনি। কিন্তু এবার প্রাচীন মিশরীয় স্থানে খনন করতেই মমির জিহ্বায় মিলল সোনা। যা দেখে চক্ষু চড়ক গাছ প্রত্নতাত্ত্বিকদের। কারণ মমি বানানো হয় মৃত মানুষের শরীর দিয়ে। আরা সেই মৃত মানুষের জিহ্বা সোনা দিয়ে মোড়ানো হবে যা ইতিহাসের পাতায় তাৎপর্যপূর্ণ।

সান্টো ডোমিংগো বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় এক দশক ধরে ওই বিশেষ স্থানে খননকার্য চালাচ্ছে। তাপসিরিস ম্যাগনা মন্দিরের শিলা কাটা সমাধি থেকে ১৬ টি মমি বের করে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। যাদের মধ্যে একটি মমির জহ্বা সোনা দিয়ে বাঁধানো কঙ্কালের মুখের ভিতরে এখনও জ্বলজ্বলে সোনার বস্তু। অনুমান করা হচ্ছে শ্বসনের সময় ব্যক্তির জিহ্বা অপসারণের পরে এটি বস্তুর সাথে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল যাতে মৃত ব্যক্তি পরবর্তী জীবনে ওসিরিসের সাথে কথা বলতে পারে।

এবার ওসিরিস কে? ওসিরিস হলেন মিশরীয় ‘আন্ডারওয়ার্ল্ডের লর্ড’ এবং মৃতদের বিচারক – প্রাচীন মিশরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেবতা। ওই সমাধিসৌধটি প্রায় ২,০০০ বছর পুরোনো। প্রাচীন গ্রীক এবং রোমান যুগে জনপ্রিয় ছিল। যা এখনও পাহাড়ের বা প্রাকৃতিক পাথুরে গঠনের অভ্যন্তরে রক্ষিত আছে। সেখানেই খনন কার্য চালাতে গিয়ে এই সোনা বাঁধানো জিহ্বার মমি উদ্ধার।

ওই আবিষ্কারের পর সোনার জিহ্বার কঙ্কালটিকৈ ভালভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। কারণ এটির খুলি এবং এর বেশিরভাগ কাঠামো ২০০০ বছর পরেও অক্ষত। তারা অনুমান করে যে জিহ্বাটি এম্বেলার্স দ্বারা সরানো হয়েছিল। তবে একটি জানাজার অনুষ্ঠানের সময় সোনার জিহ্বাকে তার জায়গায় রাখা হয়। আশা করা হয় যে, ওই ব্যক্তি মৃতদেহ ওসিরিসের সাথে পরকালে পৌঁছে কথা বলার দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।