বরখাস্তের নোটিশ নিয়ে কোর্টে সচিন, শুনানি আজ

0

জয়পুর : বুধবারই সচিন পাইলট ও আর ও দুই বিধায়ককে ডিসকোয়ালিফিকেশান নোটিশ দিয়েছিলেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার। নোটিশ হাতে আসা মাত্রই আর সময় নষ্ট করেননি রাজস্থান কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ নেতা সচিন পাইলট। রাজস্থানে হাইকোর্টে মামলা করলেন নোটিসের বৈধতা নিয়েই। আজ শুক্রবার বেলা একটায় শুনানি হওয়ার কথা। আশাপ্রদ ফলাফল না পেলে যে সচিন সুপ্রিম কোর্টেই যাবেন সে বিষয়ে রাজনৈতিক মহল প্রায় এক মত।

সচিনের বিরোধিতার তীর যে সরাসরি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের দিকেই তা বুঝেছেন কংগ্রেস হাই কম্যান্ড। সচিনের বক্তব্য, “স্পিকারের থেকে নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার কোনও আশা নেই কারণ তিনি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারা প্রভাবিত।“

সচিনের মতে কখনই দলত্যাগী আইনে তাকে বহিষ্কার করা সম্ভব নয় সেক্ষেত্রে তা সংবিধানের যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী হবে। দুটি বৈঠকে যোগ না দেওয়ার অর্থই যে দল ছেড়ে বেরিয়ে আসা তা যে সবসময় হয় না তাও স্পষ্ট করে দেন সচিন।

সচিনের বক্তব্য, “উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে যা সংবিধানের ১৯১ ধারার দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় আসে না।“

বৃহস্পতিবার সচিনের দায়ের করা মামলায় সচিনের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত হন দেশের দুই বিশিষ্ট আইনজীবী হরিশ সাল্ভে এবং মুকুল রহতাগি। অন্যদিকে রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার এর হয়ে সওয়াল করেন কংগ্রেস সাংসদ ও আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।
বিচারপতি সতিশ কুমার শর্মার বেঞ্চে হওয়া শুনানিতে সচিন পক্ষের আইনজীবী হরিশ সাল্ভে বলেন মামলাটির সাংবিধানিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এর শুনানি হওয়া উচিত ডিভিশন বেঞ্চে। তা খারিজ করে সিংভি জানান সচিনের দাবি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং সেদিক থেকে দেখতে গেলে মামলাটির কোনও গুরুত্বই নেই।

অন্যদিকে বিজেপির সঙ্গী দলের এক নেতা হনুমান বেনিওয়াল টুইট করে বলেছেন বসুন্ধরা রাজে তার ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস বিধায়কদের অশোক গেহলটের ক্যাম্পে থাকার ব্যাপারেই বলেছেন। এতে বিতর্ক তৈরি হয়। যদিও বিজেপি আপাতত বিষয়টির ওপর কড়া নজর রেখে চলেছে।