বিজেপিতে যোগ দিয়েই ধাক্কা খেলেন শুভেন্দু, বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূলে ফিরলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ

0

কলকাতা: ভোটের দিন যত কাছে আসছে নেতাদের রদবদল তত বেশী বাড়ছে, আজ কেউ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসছে, দু সপ্তাহ পর আবার তৃণমূলে ফিরে যাচ্ছে। গতকাল অর্থাৎ রবিবার , তৃণমূলকে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে দেবার হুমকি দেয় দিলিপ ঘোষ। ঠিক তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের সিরাজ খান। যিনি ২০২০-র নভেম্বর মাসেই এই রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র হাত ধরে বিজেপিতে এসেছিলেন। তখন শুভেন্দু বিজেপির নেতা ছিলেন না।

তবে সিরাজ খান জানিয়েছিলেন, শুভেন্দুর ‘আশীর্বাদ’ নিয়েই বিজেপিতে যোগদান করেছেন তিনি। তবে সেই আশীর্বাদকে তুচ্ছ প্রমাণিত করে ফের তৃনমূলে ফিরে এলেন সিরাজ। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ তৃনমূলএর বিরুদ্ধে বলেছিলেন, রাজ্য সরকার উর্বর জমিকে নষ্ট করছে। ঠিক দু-মাস পর আবার তৃণমূলে ফিরে এসে বলেন, “গরিব মানুষের জন্য একমাত্র কাজ করে তৃণমূল। আমাকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছিল। তাই বিজেপিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই দলে কাজ করা যায় না। তাই আবার মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূলে ফিরে এলাম।’ শুভেন্দুকে কটাক্ষ করেও সিরাজ বলেন, “নিজের কাছে ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখতেই পছন্দ করেন শুভেন্দু অধিকারী। ক্ষমতার লোভেই তিনি বিজেপিতে গিয়েছেন।’

তবে সিরাজের এমন মন্তব্যের কোন উত্তর দেয়নি বিজেপি। অন্যদিকে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ শ্যামল আদক পদত্যগ করেছেন। তবে নিজে না গিয়ে হলদিয়া পুরসভার কাউন্সিলার দীপক পণ্ডার মারফত পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। শুক্রবার দিল্লিতে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়দের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর শনিবার কলকাতায় ফিরে সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ বলে দেন, ‘সবাইকে দলে নিইনি আমরা। সবাইকে নেবও না। বলা হয়েছে দেখে-শুনে নেওয়ার জন্য।’ কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর আস্থাভাজন বলে পরিচিত নেতা সিরাজ খান কেন ভোটের আগে দল বদল করলেন তাঁর সঠিক কারন এখনও জানা যায়নি।