মমতা আছেন মমতাতেই! হুইল চেয়ারে চেপেই সোমবার থেকে ময়দানে ঘাসফুলের স্ট্রাইকার

0

কলকাতা: খেলতে গেলে চোট লাগে। তাই এবার একুশে হাই ভোল্টেজ নির্বাচনে ‘ভাঙা পায়েই খেলা হবে।’ পায়ে চোট। রয়েছে প্লাস্টার। হুইল চেয়ারেই আপাতত ভরসা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা ঘাসফুল শিবিরের স্ট্রাইকারের। তাবলে দলের আসল খেলোয়াড়কে মাঠে বাইরে মানায় না। যন্ত্রণা – কষ্ট নিয়েই নিজের কথামত ভোটযুদ্ধের ময়দানে আগামি সপ্তাহ থেকেই নামতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ মমতা আছেন মমতাতেই। বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চি ছাড়তে নারাজ। আর তাতেই উজ্জীবিত তৃণমূল কর্মীরাও।

প্রসঙ্গত নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর আহত হওয়ার ঘটনা বঙ্গ রাজনীতিতে অন্য মাত্রা যোগ করেছে। ওইদিন রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় হুইল চেয়ারে করে হাসপাতালে ছাড়েন মমতা। তার আগে বৃহস্পতিবার ভিডিও বার্তায়, খুব শীঘ্রই প্রচারে নামার কথা বলেন। জানিয়েছিলেন, চোট, যন্ত্রণা, কষ্টকে একদিকে রেখে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে ‘ফিল্ডে’ ফিরতে চান প্রয়োজনে হুইলে চেয়ারে করেই প্রচারে যাবেন। তাই কোনো কর্মসূচিই তিনি বাধ রাখছেন না।

সেক্ষেত্রে হুইলচেয়ারে করে গিয়ে হেলিকপ্টারে উঠবেন। আবার হেলিকপ্টার থেকে নেমে হুইলচেয়ারে করে যাবেন। সূত্রের খবর, পুরোনো কর্মসূচি মেনেই সোমবার থেকেই ফের জেলাসফরে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরপর তিনদিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামে জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় জেলাস্তরের তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা উজ্জীবিত। সুব্রত বক্সী নিজে ওই তিন জেলা নেতৃত্বকে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।

প্রথমে যাবেন পুরুলিয়া। ১৫ মার্চ পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ও বলরামপুরে জনসভা করবেন তৃণমূল নেত্রী। প্রথমে দুপুর দেড়টা নাগাদ বাঘমুন্ডি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ঝালদা হাটতলায় জনসভায় যোগ দেবেন। এরপর বিকাল তিনটেয় বলরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রথতলার কাছে মেসির মাঠে দ্বিতীয় জনসভা রয়েছে। তারপরের দিন অর্থাৎ ১৬ মার্চ বাঁকুড়া সফরে শালতোড়া, ছাতনা এবং রায়পুরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর ১৭ তারিখ ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ও লালগড়ে ২টো জনসভা করবেন।