প্রোমোশান নাকি ডিমোশান? বিধানসভায় প্রার্থী হয়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে হল স্বপন দাশগুপ্তকে

0

নয়াদিল্লী : বিজেপি নেতাদের প্রোমোশান হলো নাকি ডিমোশান? দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই আলোড়ন উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে। কারণ প্রার্থী তালিকায় বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে শুধু অভিনেতা অভিনেত্রীদেরকেই নয়, দাঁড় করানো হয়েছে সাংসদ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূল থেকে এতো নেতা নিয়েও প্রার্থী দিতে পারছে না রাজ্য বিজেপি? শেষপর্যন্ত সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে প্রার্থী করতে হচ্ছে!

প্রসঙ্গত একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী করা হয়েছে, স্বপন দাশগুপ্ত, লকেট চট্টোপাধ্যায়, নিশীথ প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে। শেষপর্যন্ত সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। একুশের নির্বাচনে তারকেশ্বর কেন্দ্র থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কিন্তু তৃণমূল তরফে অভিযোগ করা হয়, স্বপন দাশগুপ্ত ভারতীয় সংবিধানের দশম তফসিল লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর রাজ্যসভার সদস্যপদ খারিজের আবেদনও জানায় তারা। অবশেষে মঙ্গলবারই পদত্যাগ করলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। এই প্রসঙ্গে স্বপন দাশগুপ্তর বক্তব্য, , ”আমি নিয়মটা জানি। এখনও মনোনয়ন জমা দিইনি। তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কিন্তু এটুকু বলতে পারি, নিয়ম মেনেই মনোনয়ন জমা দেব।”

সংবিধানের দশম তফশিলে বলা হয়েছে, ১০২(২) ও ১৯১(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনও কক্ষের সদস্য শপথগ্রহণের ৬ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরে কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, তাহলে তাঁর সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে। এই আইন দেখিয়েই সোমবার প্রতিবাদ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, ২০১৬-র এপ্রিলে শপথ নেন স্বপন দাশগুপ্ত। এবার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর রাজ্যসভার সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলেছেন মহুয়া।