শুভেন্দুকে তোপ মমতার : অবশেষে নন্দীগ্রাম নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

0

কলকাতা: বাংলায় তৃণমূল সরকার গঠন নন্দীগ্রাম আন্দোলনকেই ভরকরে। এবারের নির্বাচনে সেই নন্দীগ্রামই হয়ে উঠেছে হটস্পট। ইতিমধ্যেই সেখানে লাগাতার জনসভা করে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সোমবার প্রচারের একেবারে শেষ পর্বে প্রাক্তন দুই তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও শিশির অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ,” আমি পরে জেনেছিলাম, এই বাপ-ব্যাটার অনুমতি ছাড়া সেদিন নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢুকতে পারত না।”

চোদ্দ বছরের আগের ঘটনায়, তৃণমূল সুপ্রিমোর এই মন্তব্যে রীতিমত শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতি। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলের তরফে নেট জগতে একটি প্রশ্ন উঠতে থাকে, “কেন এতদিন বলেননি মমতা ? তাহলে কি এতদিন মানুষকে কেবল বিভ্রান্ত করা হয়েছে? মমতার এই বিস্ফোরক দাবির ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতে পাম এভিনিউর বাড়িতে শুয়ে নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর নিয়ে অবশেষে ভোটের মুখেই মুখ খুললেন প্রাক্তণ মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, “নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুরে এখন শ্মশানে নীরবতা। সে সময়ের কুটিল চিত্রনাট্যের চক্রান্তকারীরা আজ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের দিকে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হারিয়েছে বাংলার যুব সমাজ।” তাঁর আরও বক্তব্য,” সরকারি ক্ষেত্রে কোনো নিয়োগ নেই। বাংলার মেধা ও কর্মদক্ষতা – যা আমাদের সম্পদ, তা আমাদের রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। গত এক দশকে পশ্চিমবঙ্গ সবদিক দিয়েই পিছিয়ে পড়েছে।”

১ এপ্রিল নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুরে ভোট। তার আগে শেষ লগ্নে নির্বাচনী প্রচার হয়ে উঠছে উত্তপ্ত। এদিকে সোমবার বিকেলেই নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেরার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন শুভেন্দু। অন্যদিকে মমতার রবিবারেই মন্তব্যের পরই বুদ্ধবাবুর এহেন বিবৃতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলছে নন্দীগ্রামের নির্বাচনকে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here