অসমের ঘটনার জের: ভোটিং মেশিনের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া কমিশন

0

কলকাতা: দ্বিতীয় দফা ভোটের পরে ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অসমের ঘটনার জেরে এই বিতর্ক আরো দ্বিগুন বাড়ে। এবার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়াকড়ি সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। সর্বত্র ইভিএমের নিরাপত্তা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার থেকে ভোট কেন্দ্র, সেখান থেকে প্রতিটি ইভিএম স্ট্রং রুমে পৌঁছনো ইস্তক জেলার নির্বাচনী প্রধান বা ডিইও এবং রিটার্নিং অফিসারদের সর্বক্ষণের নজরদারি রাখতে হবে বলে সূত্রের খবর।

ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া কমিশন। তার অন্যতম কারণ, গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার ভোটের পর অসমে এক বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি থেকে ভোট হওয়া ইভিএমের হদিশ পাওয়া যায়। তুমুল বিতর্কের মধ্যে কমিশনের তরফে বিবৃতি জারি করে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রিসাইডিং অফিসার এবং তিন ভোট আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়। বৈদ্যুতিন এই ভোটযন্ত্র বাতিল করে ফের ব্যালটে ভোট ফেরানোর দাবিতে সরব হয়েছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেসব অবশ্য পাত্তা না দিয়ে ইভিএমকে আগেই ক্লিনচিট দিয়েছে কমিশন। কিন্তু অসমের ঘটনা নতুন করে বিতর্কে ঘৃতাহুতির কাজ করেছে।

নিরাপত্তার মোড়কের কথা যেমনটা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ,তা খানিকটা এইরকম।ডিসট্রিবিউশন সেন্টার থেকে যে গাড়িতে ভোটকেন্দ্রে ইভিএম যাবে তাতে বাধ্যতামূলকভাবে জিপিএস থাকতে হবে। প্রতি গাড়ি পিছু নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা অন্তত দু’জন করে বাড়াতে হবে।ভোট হয়ে গেলে একইভাবে কড়া নিরাপত্তায় স্ট্রং রুমে ইভিএম পৌঁছতে হবে। স্ট্রং রুমে ২৪ ঘণ্টা আর্মড পুলিশ দিয়ে প্রহরার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়াও স্ট্রং রুমে সর্বক্ষণ সিসিটিভির নজরদারি রাখতে হবে। ইভিএম স্ট্রং রুমে বন্দি হওয়া পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে ও তা ডিইওদের নিজেদের হেফাজতে রেখে দিতে হবে। সর্বোপরি জেলা মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক অর্থাৎ জেলাশাসককে স্ট্রং রুমে প্রতিক্ষণ নজরদারি করতে হবে বলে কমিশনের নির্দেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here