ফ্লেক্স ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ তৃণমূল-বিজেপির, আক্রান্ত রুদ্রনীল ঘোষ

0

কলকাতাঃ বঙ্গ জুড়ে চলছে একুশের নির্বাচন। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে তিন দফার নির্বাচন। এখনও পাঁচ দফার নির্বাচন বাকি। কিন্তু ভোটগ্রহণের পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে অশান্তির খবরও বাড়ছে। ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য-রাজনীতি। চতুর্থ দফা ভোটের আগেই রুদ্রনীল ঘোষের ফ্লেক্স ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে তৃণমূল-বিজেপির। আহত হয়েছেন বিজেপির তারকা প্রার্থী রুদ্রনীল।

বৃহস্পতিবার সন্ধেয় রাজ্যের বিদায়ী পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের গড়ে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীলের সমর্থনে ব্যানার, পোস্টার লাগানো হয়। অভিযোগ সেই সমস্ত পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এরপর কেন সেগুলি ছেঁড়া হল তা জিজ্ঞাসা করতে চাওয়া হলে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ। এরপরেই বিজেপি-ত়ৃণমূল সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল দক্ষিণ কলকাতার চেতলা। লাগাতার ইটবৃষ্টি হয়। ভাঙচুর চালানো হয় একাধিক গাড়িতে। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখান দুই দলের কর্মীরাই। রাতেই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে চেতলা থানায় যায় দুই রাজনৈতিক দল। সঙ্গে ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষও। গভীর রাতে দীর্ঘক্ষণ চেতলা থানায় বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

এই ঘটনার পরই ফেসবুক লাইভে তৃণমূল ও ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধ ক্ষোভ উগরে দেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। অভিযোগ করেন, হার নিশ্চিত জেনেই ফিরহাদ হাকিমের নির্দেশে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। তিনি আরও বলেন, “প্রায় ২৫০ জন ছেলে মিলে হামলা চালায়। মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়। মহিলারা রুখে না দাঁড়ালে ভয়ংকর কিছু হতে পারত।” এদিকে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের এনে এলাকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে বিজেপি। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টায় পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here