অবশেষে শাপমোচন মহামেডান স্পোর্টিংয়ের, ভবানীপুরকে হারিয়ে আইলিগে প্রবেশ সাদা-কালো ব্রিগেডের

0

মহামেডান স্পোর্টিং – ২ (ভানলালবিয়া ছাংতে, গনি নিগম)

ভবানীপুর এফসি – ০

কল্যাণী : এবার হয়ত শাপমোচন হতে চলেছে কলকাতা ফুটবলের অন্যতম প্রধান মহামেডান স্পোর্টিংয়ের। শুক্রবার কার্যত এবারের আইলিগ কোয়ালিফায়ারের ভার্চুয়াল ফাইনাল ছিল বলাই যায়, আর সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ভবানীপুর এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে আইলিগের পথে বড়সড় ধাপটি ফেলল সাদা-কালো ব্রিগেড।

শুক্রবার কল্যাণীর মিউনিসিপাল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ছিল কাটায় কাটায় লড়াই। একদিকে ভবানীপুরের ফিলিপ আদজা, অন্যদিকে ছিলেন মহামেডানের উইলিস প্লাজা। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের লড়াইয়ে দুই পক্ষই এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ।

শেষ অবধি ২৭ মিনিটে প্রথম গোলটি করে ফেলে মহামেডান স্পোর্টিং। ডানদিক থেকে উইলিস প্লাজা শেখ ফৈয়াজকে বল দিলে সে পেনাল্টি বক্সে দুর্দান্ত থ্রু পাস বাড়ায় ভানলালবিয়া ছাংতের উদ্দেশ্যে, যিনি আগুয়ান গোলকিপার শিল্টন পালকে পরাস্ত করে জালে বল জড়ান। এরপর একটানা আক্রমণ শুরু করে ভবানীপুর। ৩৭ মিনিটে ফিলিপ আদজা একা প্রিয়ন্তকে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। শেষ অবধি প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই শেষ করে মহামেডান।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করার তাড়ায় ছিল ভবানীপুর এফসি। কিন্তু আবারও গোল করে বসে মহামেডান। ৬৮ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে মনোতোষ চাকলাদারের হেড পান গনি নিগম, যিনি চেস্ট ট্র্যাপ করে বাঁ পায়ের শটে গোল করতে কোনও ভুল করেননি। এবং এই গোলের পরেই কিছুটা ইনস্যুরেন্স পেয়ে যায় সাদা-কালো ব্রিগেড। এরপর লড়াইটা পুরোপুরি ছিল ভবানীপুর আক্রমণের সাথে মহামেডানের ডিফেন্সের।

৭৫ মিনিটে ফিলিপ আদজার পাসে জিতেন মুর্মুর শট সেভ করেন মহামেডানের গোলকিপার প্রিয়ন্ত সিং। তিন মিনিট পরেই ইউমনাম গোপী সিংয়ের ক্রস থেকে জিতেনের ফ্রি হেডার দারুণভাবে বাঁচান প্রিয়ন্ত। একটানা আক্রমণ করেও মহামেডানের ডিফেন্স ভাঙতে পারেননি ভবানীপুরের স্ট্রাইকাররা। শেষ অবধি দুই গোলে জিতেই ম্যাচ শেষ করে সাদা-কালো ব্রিগেড।

আর এই ম্যাচ জিতে কার্যত আইলিগ যাওয়ার রাস্তা নিশ্চিত করে ফেলল মহামেডান। এরপর বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে বড়সড় অঘটন না ঘটলে আসন্ন আইলিগে আবারও দেখা যাবে সাদা-কালো ঝড়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here