গোয়ার জৈব সুরক্ষা বলয়ে এবার দূর্গোৎসবের আমেজ, সৌজন্যে এটিকে-মোহনবাগানের বাঙালি ব্রিগেড

0

পানাজি, গোয়া : আইএসএল এর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে সবার আগে গোয়ায় হাজির হয়েছিল এটিকে-মোহনবাগান, এবং প্রথম টিম হিসেবে অনুশীলনের জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন হাবাস অ্যান্ড কোম্পানি। কিন্তু সামনেই তো পুজো। দীর্ঘদিন লকডাউনের জেরে ঘরবন্দী থাকলেও দুর্গাপুজোর সময় তো একটু আনন্দ করতেই হয়। কিন্তু করোনার কারণে এই বছর আইএসএল হচ্ছে গোয়ায়, ফলে এটিকে-মোহনবাগানের বাঙালি ব্রিগেড পুরো দমে অনুশীলনে নামলেও কিছুটা মুষড়ে তো রয়েইছে।

এর আগে আইএসএল এ পুজোর সময় এটিকের দায়িত্বে থাকাকালীন অনুশীলনে ছাড় দিতেন কোচ আন্তোনিও হাবাস লোপেজ। কিন্তু এই বছর সময় কম থাকায় কোনও ছাড় নেই। কিন্তু তাতেও কুছ পরোয়া নেহি ভাব এটিকেএম্বির বাঙালি ব্রিগেডের। প্রবীর দাস – প্রণয় হালদার – প্রীতম কোটালরা এবার গোয়াতেও পালন করবেন দূর্গোৎসব।

কিন্তু কিভাবে? জানা গিয়েছে, এবার ভার্চুয়ালি দুর্গাপুজো কাটাবেন এটিকে-মোহনবাগানের ফুটবলাররা। যে ফুটবলারদের বাড়িতে দুর্গাপুজো হয়, তাদের বাড়ি থেকে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে হোটেলে দুর্গাপুজোর আমেজ আনা হবে। পাশাপাশি চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে অঞ্জলির ব্যবস্থা করা যায়। সেক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুদূর কলকাতা থেকে কোনও এক ফুটবলারের বাড়ি বা পাড়ার অঞ্জলি স্ট্রিম করে এখানে করা হবে অঞ্জলি।

এদিকে পুজো হবে, আর ধূতি পাঞ্জাবি পড়ে ভুরিভোজ হবে না, তা তো হয় না। গোয়াতে থাকলেও বাঙালিয়ানা আনতে বদ্ধপরিকর শুভাশিষ-প্রণয়রা। তাই গোয়াতেই ধূতি ও পাঞ্জাবির খোঁজ চলছে জোরকদমে। বাঙালি ব্রিগেডের পরিকল্পনায় রয়েছে, অষ্টমীতে ধূতি-পাঞ্জাবি পড়ে প্রতিটি ফুটবলার এবং কোচ-সাপোর্ট স্টাফ সকলে ডিনার সারবেন। অতএব, পুজো দূরে থাকলেও পুজোকে কাছে টেনে আনতে মরিয়া এটিকে-মোহনবাগান।