টার্মশিট যাক গঙ্গার জলে, এমনই মনোভাব নিয়েই বিনা নির্বাচনে নয়া কর্মসমিতি গঠন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের

0

কলকাতা : গোয়ায় এই মুহুর্তে বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, এদিকে ফাইনাল এগ্রিমেন্ট সই নিয়ে ইনভেস্টর ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যেকার তরজা আপাতত স্তিমিত রয়েছে। আর এই শান্ত সময়ের মধ্যেই কার্যত নিজেদের মধ্যেই আলাপ আলোচনা করেই আগামী তিন বছরের জন্য নিজেদের কর্মসমিতি গঠন করল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।

কয়েক মাস আগে নিজের বিদায়ের কথা জানালেও আপাতত সিংহাসন ধরে রাখতে চলেছেন কল্যাণ মজুমদার, সচিব পদেই তিনি থাকছেন লাল-হলুদে। এদিকে সহ সচিব হয়ে আসছেন রুপক সাহা। এছাড়া ইনভেস্টর আনার ক্ষেত্রে যার ভূমিকা বড়, সেই সৈকত গঙ্গোপাধ্যায় হচ্ছেন ফুটবল সচিব। এদিকে ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়ের স্ত্রী মলি গঙ্গোপাধ্যায় এবং ‘বাংলার গর্ব’ বলে পরিচিত বীরেন্দ্র সাহা রয়েছেন এক্সেকিউটিভ কমিটির সদস্য হিসেবে।

যদিও প্রশ্ন উঠেই যাচ্ছে, ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট যেভাবে ফাইনাল এগ্রিমেন্ট সইয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন ও নির্দেশ দিয়েছেন, তা না করে কেন কর্মসমিতি গঠন হল? এই নিয়ে ক্লাবের এক শীর্ষকর্তা বলেছেন, “আপাতত ফাইনাল এগ্রিমেন্ট নিয়ে আমাদের সমস্যাগুলি আমরা ইনভেস্টরপক্ষকে জানিয়েছি। কিছু দাবি আমরা মানতে পারব না, এতে সমর্থক তথা সদস্যদের মানক্ষুণ্ণ হবে। ফলে এই দাবিগুলি না পরিবর্তন করা হলে আমরাও আমাদের জায়গায় অটল থাকব। আর টার্মশিট বা ফাইনাল এগ্রিমেন্ট সই করার থেকে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসমিতি গঠন।”

সব মিলিয়ে, ইস্টবেঙ্গল কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান যেভাবে সমর্থকদের তুচ্ছ মনে করে নিজেদের তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছেন, তাতেই প্রশ্নচিহ্ন উঠে যায় যে আদৌ এগুলি সমর্থকদের ক্লাব তো? সমর্থকদের তোয়াক্কা না করেই মোহনবাগান জোট বাঁধল এটিকের সাথে, সমর্থকদের ক্ষোভ সত্ত্বেও ইনভেস্টরদের মৌ চুক্তি স্বাক্ষর করছে না মহামেডান – ফলে এই প্রশ্ন তো জোরালো হতে বাধ্য।