বাড়ি ফিরছেন ফুটবলাররা, ফাইনাল হারের দুঃখের সঙ্গে মিশে রয়েছে কিছুটা ক্ষোভও

0

কলকাতা: আইএসএল ফাইনালে এটিকে-মোহনবাগান ও মুম্বই সিটি এফসির মধ্যে কঠিন লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তে বাজিমাত করেছিল সার্জিও লোবেরার মুম্বই। এই মরসুমে তিনবার এটিকে-মোহনবাগানকে হারিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। কিন্তু টুর্নামেন্টের ব্যক্তিগত অনেক পুরস্কারই গিয়েছে সবুজ-মেরুণ ব্রিগেডের ঝুলিতে। হাসিমুখে নয় বরং ফাইনাল হেরে যন্ত্রণা নিয়েই পুরস্কার নিতে হয়েছে রয় কৃষ্ণ ও অরিন্দম ভট্টাচার্যকে। ফাইনালে হারের দুঃখ নিয়েই শুক্রবার সকাল থেকে গোয়া ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ফুটবলাররা।

তবে এই ফাইনাল হারে যেন ‘ভিলেন’ তিরি। ফাইনালে মুম্বই সমতা ফিরিয়েছিল তিরির আত্মঘাতী গোল থেকেই। সব থেকে বেশি কষ্টে রয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিরি জানান, ‍‘‍‘বিশ্বাস হচ্ছে না। এটাই ফুটবলের মজা। জিতলে সেটা যেমন আমাদের সবার ঠিক তেমনই এই হার আমাদের সবাইকেই সমান ভাবে কষ্ট দিয়েছে। আমার ভুলের জন্য সবার সমালোচনা মাথা পেতে নিচ্ছি। এই সমালোচনা ফুটবলার হিসেবে আমাকে অনেক শক্ত করবে। তবে মাঠে সবাই ১০০ শতাংশ দিয়েছিলাম। যাঁরা খারাপ সময়ে আমাদের সমালোচনা করছেন, তাঁদের বলব দুঃখিত। তবে তিরিকে আগামী দিনে আরও ভাল ভাবে পাবেন। এই দুর্দিনেও যাঁরা পাশে থাকছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।”

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের পরই ড্রেসিংরুমে চলে যান রয় কৃষ্ণরা। জানা গিয়েছে, কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন অরিন্দম। যদিও কষ্টের মধ্যেও ফাইনালে হারের যাবতীয় ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন কোচ হাবাস। হবে নাই বা কেন? একজন ভালো দায়িত্ববান কোচ হিসেবে দলের ভুল ধরানোই তো তাঁর কাজ। গোটা দল কেউ ডিনারের জন্যও আসেননি। দুঃখের সঙ্গে রয়েছে কিছুটা ক্ষোভও। জানা গিয়েছে, কোচ হাবাস সহ দলের বাকি ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ রেফারি তেজস নাগভেঙ্কর দ্বিতীয়ার্ধে মুম্বইয়ের পরিবর্ত হিসেবে নামা ডিফেন্ডার মহম্মদ রাকিপের আত্মঘাতী গোল বাতিল করায়। তাদের মতে রয় কৃষ্ণ ওই বল তাড়া করেননি বা বল র্স্পশ করেননি। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে একাধিকবার রেফারি অফসাইডে থাকলেও সেই ফুটবলার বল স্পর্শ না করায় বা গোলের দিকে এগিয়ে না যাওয়ায় অফসাইড ডাকা হয়নি। এই বিষয়ে সবুজ-মেরুণ শিবির কোনও অভিযোগ না জানালেও ভালো ক্ষুদ্ধ হয়েছিল।