নিজের চেষ্টায় হয়েছেন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার: কঠিন লড়াইয়ের কাহিনী শোনালেন বিপিন

0

কলকাতা: শেষ মুহুর্তে ওগবেচের পাশে বিপিন সিংহ সুযোগ লুফে নেন এবং গোল করেন। তাতেই আইএসএল ফাইনালের ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন বিপিন সিং। এই মরসুমে তিনবার এটিকে-মোহনবাগানকে হারিয়েছিল বিপিনের দল, চ্যাম্পিয়ন হল মুম্বই সিটি এফসি। এই মরসুমের আইএসএলে ২১ টি ম্যাচে পাঁচটি গোল করেছেন বিপিন। সেই সঙ্গে বিপিনের ঝুলিতে রয়েছে আইএসএলে এই মরসুমে একমাত্র ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিক।

তবে আইএসএল জয়ের আনন্দ করার থেকে বিপিন এখন বেশি গুরত্ব দিচ্ছে জাতীয় দলকে। ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। সেই প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চান না বিপিন। জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমে নিজেকে প্রমাণ করতে চান তিনি। বিপিনের কথায়, ‘‘আমাকে প্রথম একাদশে জায়গা করে নিতেই হবে। সারা জীবন ধরে এই স্বপ্নটাই তো দেখে চলেছি।’’ মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই ফুটবলের যাত্রা শুরু হয় বিপিনের। সেখান থেকেই ডাক পেয়েছিলেন মণিপুর পুলিশ দলে। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে প্রায় তিরিশ কিলোমিটার দূরে ওয়াংগোই গ্রামে জন্ম নেওয়া বিপিন শুরুতে লেফ্ট ব্যাক পজিশনে খেলতেন। তারপর রক্ষণ থেকে দুরন্ত মিডফিল্ডার হয়ে উঠেছেন ২৫ বছর বয়সী মুম্বই সিটি এফসি তারকা।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর বিপিন এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাথে সাক্ষাৎকারে জানান, “প্রথম থেকেই আমাকে লেফ্ট ব্যাক পজিশনে খেলাতেন কোচেরা। অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলেও রক্ষণে খেলতাম। কিন্তু আমি চাইতাম গোল করতে। স্ট্রাইকার হওয়ার মতো উচ্চতা আমার যে-হেতু নেই, তাই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। গ্রামের মাঠে একা একাই অনুশীলন শুরু করি। কখনও বল নিয়ে উঠে পেনাল্টি বক্সে সেন্টার করতাম। কখনও আবার মাঠের বিভিন্ন জায়গা থেকে গোল লক্ষ্য করে শট মারতাম। তার পরে গ্রামের বন্ধুদের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়ল।”