ভিক্টোরিয়ার ঘটনার জবাব আজ পুরশুড়া থেকে দিতে পারেন মমতা

0
mamata

হুগলি: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই প্রকট হচ্ছে শাসক-বিরোধীদের একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার লড়াই। তৃণমূল হোক বা বিজেপি কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ। বিজেপি যেমন বাংলার শাসনভার নিজেদের হাতে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, তেমনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বশক্তি দিয়ে সেই আঘাতকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে চলেছে। এরই মধ্যে সোমবার হুগলি জেলার আরামবাগের পুরশুড়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। এই পুরশুড়াতেই শাসক দলের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্ধ রয়েছে।

ভোটের আগে সেই গোষ্ঠীদ্বন্ধ রুখতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সভা। গত লোকসভা নির্বাচনে আরামবাগ আসনে তৃণমূলের ফল একেবারেই ভালো ছিল না। আগেই পুরশুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে চলে গিয়েছেন। গোষ্ঠীদ্বন্ধ চরমে ওঠায় আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বলা বাহুল্য যে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতার একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক বিরোধীদের ব্যাকফুটে ফেলেছে তা পরোক্ষ ভাবে স্বীকার করেছে বিরোধী দলগুলিও।

শনিবার সুভাষচন্দ্র বোসের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল জয়দীপ ধনকড়। অনুষ্ঠানসূচী মতো সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু তাল কাটে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা দিতে ওঠার সময়। মুখ্যমন্ত্রী বক্তৃতা দিতে মঞ্চের চেয়ার ছেড়ে পোডিয়ামের দিকে এগোতেই দর্শকাসন থেকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান ওঠে। রীতিমত বিরক্ত, ক্ষুব্ধ হয়েই বক্তব্য বয়কট করেন। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পোডিয়াম ছাড়েন। পুরশুড়া থেকে বিরোধীদের আক্রমণ করে কি বলেন মমতা সেটাই এখন দেখার।