“উন্নয়নের কথা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করে যান মমতা”

0

বারাসাত: মঙ্গলবার বারাসাতের তিতুমীর সভাকক্ষে জেলার ইমাম মোয়াজ্জেম, শিক্ষক সহ সমাজের বিশিষ্ট গুণীজনদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সারেন। আলোচনায় ফারহাদ সাহেব রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া শ্রীমতি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতি, ঐক্য, উন্নয়নের বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উপস্থিত সকলের কাছে আহবান করেন। একই সঙ্গে বিগত দিনে যেভাবে সমাজের সম্প্রীতির জন্য ইমাম, মোয়াজ্জেম, পুরোহিত, শিক্ষক সহ গুণীজনরা যেভাবে কাজ করে চলেছেন তার জন্য তাদেরকে কুর্নিশ জানান।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, “অতি শীঘ্রই করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন হাজির হবে এবং আমরা সুস্থ সমাজ ব্যবস্থায় স্বমহিমায় ফিরে আসব এবং আমাদের এবছরের যে সমস্ত অনুষ্ঠানগুলি ঠিক ভাবে সফল করতে পারিনি আশা করি আগামী বছর সফল করতে পারব। বর্তমান সময় পরিস্থিতির জন্য তিনি সকলের কাছে অনুরোধ করেন আপনারা সবাই মাক্স ব্যবহার করুন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সমাজকে সুস্থ রাখুন নিজে সুস্থ থাকুন।” তিনি আরও বলেন, “ভারতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক উজ্জ্বল নাম।”

উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সম্প্রীতির মুখ, সকলের কাছে জনপ্রিয় জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তথা বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা জনাব এ কে এম ফারহাদ সাহেব বলেন, “আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া শ্রীমতি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় আমার সবাই সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলে মিলেমিশে উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছি। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্বস্ত সৈনিক কলকাতা পুরসভার সফল মুখ্য প্রশাসক তথা রাজ্যের পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও আমাদের জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নির্দেশে কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করে থাকি। আমরা আনন্দিত, আমরা গর্বিত তৃণমূল কংগ্রেসের মতো সম্প্রীতির দল। আমাদের রাজ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে আর এই দলের একজন কর্মী হিসেবে আমি মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করি দলের একজন অনুগত হিসাবে।”

“বর্তমান সময়ে বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের থাবায় জর্জরিত এবং সাধারণ মানুষ জীবন-জীবিকা দুর্বিসহ অবস্থার মধ্যে এরকম পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে বিভিন্ন রকম ভাবে পরিষেবা দিয়ে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মা মাটি মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যে লকডাউন এর সৃষ্টি হয়েছিল তখন থেকে ২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় রেশনিং ব্যবস্থা করেছেন পুরো রাজ্যবাসীর জন্য যা এক কথায় দেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত। উন্নয়নের দিক দিয়ে সার্বিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করে যান। তার উদাহরণস্বরূপ আমরা দেখতে পাই একদিকে যেমন গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান সহ দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পুজা সহ দুর্গাপূজায় অনুদান, আবার অন্যদিকে হজের সময় এয়ারপোর্টে হজ পরিষেবা সহ মুসলিম বিভিন্ন তীর্থ ক্ষেত্রগুলিতে বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আর যার মূল কান্ডারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

ফারহাদ সাহেব আরও বলেন, “এই বাংলা রবীন্দ্র-নজরুল-বিবেকানন্দের বাংলা যেখানে সহাবস্থানই মূলমন্ত্র জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে থাকব বিজেপির মত বিভাজনের রাজনীতিকারী কোন দলের স্থান এই রাজ্যে হবে না। বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ফারহাদ সাহেবকে সমাজের নানান কাজে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে কখনো কারো বাড়িতে অসুস্থ মানুষের জন্য ঔষধ পৌঁছে দেওয়া অথবা রাস্তায় কেউ দুর্ঘটনায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে করে হসপিটালে পৌঁছে দেওয়া সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক অনুষ্ঠান সহ নানান কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে থেকে উৎসাহ যোগান দিয়ে যান। দলীয় কোনো কর্মসূচি হোক কিংবা সরকারি যে কোনো কাজ তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করেন।”