জলঙ্গিতে উদ্ধার প্রচুর সকেট বোমা

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, বলহরমপুর: এখন উত্তেজনায় ভরপুর এলাকা৷ মঙ্গলবার সকালে ফের উদ্ধার হয়েছে আরও ছয়টি তাজা সকেট বোমা৷ মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার ঘোষপাড়া এলাকার রায়পাড়া টলটলিতে সোমবার রাতে বোমা বিস্ফোরণে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনার এখন থমথমে গোটা এলাকা৷ এলাকায় উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী৷

জোরাল বোমা বিস্ফোরণ রবিন হুডের জেলায়৷ সোমবার রাতে সকেট বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মুর্শিদাবাদ৷ ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিনজনের৷ এদিন রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জেলার জলঙ্গি থানার ঘোষপাড়া অঞ্চলের রায়পাড়া এলাকা৷ বিস্ফোরণের পরেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছছে স্থানীয় থানার পুলিশ৷ প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বোমা বাঁধতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ মৃত্যু হল তিনজনের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন নান্টু মোল্লা, মিন্টু মন্ডল। আরও একজনের নাম একনও জানা যায়নি। এই ঘটনার জেরে রাতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। কী কারণে বোমা মজুত করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, এদিন সন্ধ্যায় ঘোষপাড়া অঞ্চলের রায়পাড়া বাজারে পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধাতে গিয়ে বোমা ফেটে বিস্ফোরণ আওয়াজ কেঁপে ওঠে এলাকা। পরে দেখা যায় পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা ফেটে মৃত্যু হয় নান্টু মোল্লা, মন্টু মণ্ডলসহ আরও একজনের। মৃতরা সকলেই তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলঙ্গি থানার পুলিশ।

যদিও এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য বোমা বাঁধতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ মৃত্যু অভিযোগ অস্বীকার করেন৷ তিনি দাবি করেন, বোমা দিয়ে হামলা করে তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী। গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য চম্বা বিবি জানান, তৃণমূল দুই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই বোমা হামলা চালানো হয়েছে৷ তবে বোমা বাঁধতে গিয়ে কোন বিস্ফোরণ ঘটেনি।

শনিবার সন্ধ্যায় তিনজন বসে থাকাকালীন এদের উপর বোমা দিয়ে হামলা চালানো হয় এবং তিনজনই বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জলঙ্গি থানার পুলিশ৷ পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে৷ কীভাবে ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।