বাংলায় বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তালিকায় জুড়ল আরও তিনজন

0

পার্থ খাঁড়া, তমলুক: তমলুকের বল্লুক গ্রামের বাসিন্দা ৮০ বছর বয়সী করোনা সন্দেহে কলকাতার অ্যাপলোতে ভর্তি ছিলেন। বুধবার তাঁর দেহে করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। ওই বৃদ্ধা তমলুকের বল্লুকের বাসিন্দা হলেও কলকাতা বড়বাজারের পোস্তা এলাকায় পানের ব্যবসার সূত্রে থাকতেন।

কয়েকদিন আগে বাড়ি এসেছিলেন। বাড়ি থেকে কলকাতা ফিরে যাওয়ার পর অসুস্থ বোধ করেন। তারপরেই অ্যাপলোতে ভর্তি করা হলে বুধবার করোনা পজিটিভ মেলে। ইতিমধ্যে তাঁর ভাইও উপসর্গ নিয়ে কলকাতায় ভর্তি রয়েছেন বলে খবর।

বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে করোনা আক্রান্ত বাড়ির সঙ্গে যুক্ত ১৫ জনকে আইসোলেট করা হল। যার মধ্যে বাড়ির সদস্য ১১ জন, ২ জন পরিচারিকা, একজন ড্রাইভার ও আরেকজন গ্রামীণ হাতুড়ে ডাক্তার। ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনকে পাশকুঁড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ও ৩ জনকে তমলুকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে আইসলেট করা হল।

উল্লেখ্য, এদিনই দাসপুরের নিজামপুরে করোনা আক্রান্ত যুবকের পর তার বাবার শরীরেও মিলল মারণ ভাইরাস। নিজামপুরের যুবক আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানোর পর থেকেই মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তার বাবা। তাঁর শরীরে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর লালা রস সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়েছিল। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশচন্দ্র বেরা জানান, দাসপুরের ওই যুবকের পর তার বাবার রিপোর্টও পজিটিভ। বৃহস্পতিবারই মেদিনীপুর মেডিকেল থেকে তাকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পাশাপাশি এদিন করোনা আক্রান্ত হলেন আলিপুর কমান্ড হাসপাতালের আক্রান্ত চিকিৎসকের গাড়ির চালক। কয়েকদিন আগেই ওই চিকিৎসকের রক্তে করোনার পজিটিভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এই নিয়ে আজ বাংলায় মোট তিনজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও কেন্দ্র সরকারের সাইট বলছে বুধবার অবধি বাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭, মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৬৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের সেই সঙ্গে করোনা মুক্ত হয়েছেন ১৫০ জন।