কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কাছে আমপানে ৮০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির রিপোর্ট পেশ নবান্নের

0

কলকাতা : এক লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে আমফানের প্রভাবে। সেই সঙ্গে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঌটি জেলার ৬ কোটি মানুষ। ইতিমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে ৬ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। অনেককেই দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ।

গত ২০ মে রাজ্যে তান্ডব করে ঘূর্ণিঝড় আমপান। আমপানের তাণ্ডবের পরই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেতে রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের জন্য ১০০০ কোটি টাকার সাহায্য ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে এবার রাজ্য সরকার ঘূর্ণিঝড় আমপানে ৮০ হাজার কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে। ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের ক্ষতির পরিমাণ পর্যালোচনা করতে আসা কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের হাতে এই রিপোর্টই তুলে দেওয়া হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা সফরের পর আজ ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যদের নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানেই তাদের হাতে ওই রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে।

ঘূর্ণিঝড়ে সেচ, বিদ্যুৎ, সড়ক, জল-সরবরাহ সহ সরকারি পরিকাঠামো এবং ঘরবাড়ির প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষেত্রে প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা বলে রাজ্য সরকারের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ লক্ষ বাড়ি ভেঙে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, আমপানের প্রভাবে সমস্ত কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার। এবার পাথরপ্রতিমার অবস্থা খতিয়ে দেখেতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্মসচিব অনুজ শর্মার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমীক্ষকদল রাজ্যে এসেছেন বৃহস্পতিবার। তাঁরই শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা পরিদর্শনে গিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে এলাকা পরিদর্শন করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ঋষিকা সরন, নরেন্দ্র কুমার, আর কে দুবে, সমীরণ সাহা। শুক্রবার সাড়ে দশটায় ধামাখালিতে প্রথমে বৈঠকে বসেন এবং তারপর তাঁরা সেখান থেকে সড়ক পথে সন্দেশখালি ও পাথরপ্রতিমার ব্লকে উত্তর গোপাল নগরে হেলিকপ্টারে করে যান। পাথরপ্রতিমা ব্লকে উত্তর গোপাল নগরে একটি নদী বাঁধ ছিল তা তাঁরা খতিয়ে দেখেন।