মৃত বিজেপি নেতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে সায়ন্তন বসুকে বাধা পুলিশের

0

পার্থ খাঁড়া, পূর্ব মেদিনীপুর: গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর থানার হলদিয়া ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের কঁচুড়ী গ্রামে উদ্ধার হয়েছিল বিজেপির অর্জুনী বুথ সভাপতি পূর্ণচন্দ্র দাসের ঝুলন্ত দেহ। ওই দিন সকাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর বিকেল ৩টে নাগাদ একটি গাছ থেকে ওই নেতার দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের পরিবারের দাবি, ওই বিজেপি নেতাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনার পরেই ময়দানে নামে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন।

ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার মৃত ওই নেতার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কলকাতা থেকে রওনা দেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু সহ বেশ কয়েকজন নেতা কর্মী। কিন্তু তাদের গাড়ি যখন পাঁশকুড়ার রাতুলিয়ার কাছে পৌঁছায় তখন পূর্ব মেদিনীপুরের একটি বড়সড় পুলিশ বাহিনী তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়। সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টিই বেআইনি। তাদের পথ আটকে দিয়ে জানানো হয়েছে তমলুকে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। তাঁর মতে, “তমলুকে কি আছে তাতে আমার কি।” তিনি জানান, এদিন পূর্ব নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী সাতমাইলে পার্টি অফিসে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে মৃত বিজেপি নেতার পরিজনের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার কথাও ছিল। সায়ন্তন বাবুর দাবি, লকডাউনের মাঝে রাস্তা অবরোধ করতে চাই না। মিছিল করতেও চাই না। কিন্তু নানান অছিলায় রাস্তা আটকে দিচ্ছে পুলিশ।

তাঁর মতে, চাইলে পুলিশ বেশীজনকে নাও যেতে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে তিনি একাই দেহরক্ষীদের নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু এভাবে রাস্তা অবরোধ করে রাখা হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তবে এই অবরোধের জেরে তিনি অবশেষে কলকাতা অভিমুখে ফিরে যান। সেই সঙ্গে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়ন্তন বসু রামনগরে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। সেই কারনেই তাঁকে পূর্ব মেদিনীপুরে ঢোকার আগেই পুনরায় কলকাতা অভিমুখে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here