ফের বে-লাগাম, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির বীরভূম জেলার সাধারন সম্পাদক

0

কৌশিক সালুই, বীরভূম: বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের বিরূদ্ধে বীরভূমের মল্লারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির বীরভূম জেলার সাধারন সম্পাদক অতনু চট্টপাধ্যায়। গত ১৫ জুলাই বীরভূমের মল্লারপুরের বটতলা এলাকায় একটি কর্মী সম্মেলনে বিজেপি কর্মীদের মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।

ফের বে-লাগাম বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আবারও বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার নিদান দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার বীরভূমের ময়ুরেশ্বরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সভা থেকে এমনই হুঁশিয়ারি দেন জেলা তৃণমূল সুপ্রিমো। অনুব্রত মণ্ডল এদিন কর্মীদের সঙ্গে সভা মঞ্চ থেকে কথোপকথনের সময় বলেন, “হাত পা নেই নাকি তোদের। লুলো হয়ে গেছিস নাকি। বেরিয়ে পা গুলো ভেঙে দিলি না। ইয়ার্কি বটে নাকি অন্যায় ভাবে কাজ নেই কম্ম নেই ফ্ল্যাগ গুলো খুলে নিয়ে চলে যাবে আর তোরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবি নাকি। সোনা মুখে বলতে পারি কিন্তু বন্ধ রাখবি না ছাড়বো না কিন্তু বলে রাখলাম।” এমনিভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে রুখে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন অনুব্রত মণ্ডল।

অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের এই কথার প্রেক্ষিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপির বীরভূম জেলার সাধারন সম্পাদক অতনু চট্টপাধ্যায়। তৃণমূল নেতার এই কথার পরেই থানায় অভিযোগ করে বলেছেন, “গত মাসের ইংরেজির ১৫.০৭.২০২০ তারিখে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল মল্লারপুর বটতলায় একটি কর্মী সম্মেলনে প্রকাশ্যে বিজেপি কর্মীদের মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ওই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। ওই হুমকির পর এলাকার বিজেপি কর্মীদের ওপর নির্যাতন বেড়ে গিয়েছে। কর্মীরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার এই বক্তব্য এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভীত হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে উল্লেখ থাকে যে করোনা পরিস্থিতিতে কোনরূপ সামাজিক দূরত্ব বিধি না মেনে এবং মাক্স ব্যবহার না করেই এই কার্যক্রম করা হয়েছে।”

অনুব্রত মণ্ডলের এই ধরনের উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উপযুক্ত শাস্তির ও তার সুব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেছেন বিজেপির বীরভূম জেলার সাধারন সম্পাদক অতনু চট্টপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here