সিপিএম ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি তৃণমূলও পারবেনা: হুঙ্কার মুকুল রায়ের

0

আরামবাগ: বাংলার রাজনীতিতে এখন সব দলের একমাত্র লক্ষ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। লড়াইয়ে রয়েছেন প্রধানত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ও গেরুয়া শিবির বিজেপি। তবে রাজ্যের রাজনীতিতে মুকুল রায়কে নিয়ে একাধিকবার ধোঁয়াশা দেখা গিয়েছিল, তাঁকে নিয়ে জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে বাংলায় বিজেপির চানক্য হিসাবে মুকুল রায়কে সামনে রেখে ২১-এর নির্বাচন জিততে চাইছে বিজেপি। তাই দলকে আরও মজবুত করতে বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাজির হয়েছিলেন হুগলি জেলার আরামবাগে।

হুগলির আরামবাগ থেকেই মুকুল রায় হুঙ্কার ছেড়ে বলেছেন, জোর করে ক্ষমতা দখল করা যায়না মানুষের ভালোবাসায় ক্ষমতায় আসতে হয়। শাসক দলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে মুকুল রায় বলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি নেতা কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু গত লোকসভা ভোটে বোঝা গয়েছে মানুষ কাদের সাথে রয়েছে এবং আগামী দিনে কাদের সাথে থাকবে। তিনি আরও বলেছেন জোর করে ক্ষমতা দখল করা যায়না, সিপিএমও ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি তৃণমূলও পারবেনা। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক সংঘর্ষে
কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত আরামবাগ। গোঘাটে বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ও আরামবাগে বিজেপিকে আরও সক্রিয় করতেই সেখানে গিয়েছিলেন মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

রাজ্যের রাজনীতিতে জোর গুঞ্জন চলছিল তিনি নাকি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে যাবেন না। মুকুল রায়কে নিয়ে বিজেপির অন্দরে তর্ক বিতর্ক অব্যাহত ছিল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্যও করতে দেখা যায় না তাঁকে। সেই কারণেই সকলে মনে করছিলেন বিজেপি ছেড়ে আবারও মমতার ছায়ায় ফিরতে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলায় চার্জশিটে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নাম থাকলেও, মুকুল রায়ের নাম অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়নি। তাঁকে রাখা হয়েছে সন্দেহভাজন হিসেবে। তবে রাজনৈতিক বুদ্ধিতে বরাবরই এগিয়ে বাংলার চাণক্য সেটা তৃণমূল খুব ভালো করেই জানে। তাই আগামী বিধানসভা নির্বাচন শাসক দলের কাছে একটু চাপের হতে চলেছে।